Skip to main content

লাভ এট নার্ভাস নাইনটিজ

০৯-০৩-২০০৬
“অনিক ভাই, এই অনিক ভাই শুনছেন? আজব তো! কি হলো আরে এই ভাইয়া” কত ডাকলাম। নতুন কিছুনা আজো অনিক ভাই যথারীতি শুনেও না শোনার ভান করে চলে গেলো, কেমনটা লাগে? এসব নাটকের কোনো মানে হয়? এত করে ডাকছি,খুব বুঝতে পারছি শুনছে,কিন্তু কোনো উত্তর দিবেনা। সেই কবে,ক্লাস এইটে যখন প্রথম সিলেট আসলাম,আমার কোনো বন্ধুই ছিলনা, দাদাটাও সারাদিন আমার পেছনে লেগে থাকতো। আরিফ ভাই, রাঙ্গাদা, তোতনদি, আশিক ভাই সবাই আমাকে পচাত খুব, দেখলেই শুরু হত “এই যে খুকুমনি, বাবু” আরো কত কি। অনিক ভাই শুধু কেনো যেন চুপ হয়ে যেত আমাকে দেখলে। উফ আমি এত বোকা নিজের ডাইরীতে নিজের মানুষটাকে কেমন ভাই ভাই করছি! ও কোনদিন ভাই ছিলো নাকি আমার? হা হা হা! অনিকের একটা কথা শোনার জন্য কত ঘন্টার ঘন্টা কান পেতে রেখেছি দাদাদের আড্ডায়, স্কুল ফেলে ছুটে গেছি অনিকের প্র্যাকটিস দেখতে। কতরাত জেগেছি অনিকের পায়ে ব্যথা শুনে। আর অনিক? এটা কি লেখা লাগেৃ

 ১২-০৩-২০০৬
বাবার গায়ে বেশ জ্বর,কোনো কারণ নেই। বাবার মন খারাপ। আর আমার মেজাজ ভয়ঙ্কর খারাপ। অনিককে হাতের কাছে পেলে চুল ছিড়ে দিতাম, মানুষ এত স্টুপিড কিভাবে হয়? শুধু কি ম্যাচ জিতলেই চলবে, নিজের খেলা নিয়েও তো ভাবতে হবে। তুমি এত ভালো প্লেয়ার, ম্যাচ উইনিং ব্যাটসম্যান বাট একটা সিঙ্গেল ম্যাচেও আজ পর্যন্ত সেঞ্চুরি করতে পারলেনা? ক্লাসের তুমি সেরা ছাত্র, অল সাবজেক্টে এ+ পাও, গিটার বাজাতে জানো পারোনা খালি একটা সেঞ্চুরি করতে। সারাক্ষণ মুখে খই ফুটে আর আমাকে দেখলেই বোবা হয়ে যাও। বাবার পা ভেঙ্গে গেছে গত মাসে, ডাক্তার বলেছে ৩ মাস বেড রেস্ট। ঘরে বসে দেশ-বিদেশের নামি দামি প্লেয়ারদের খেলা দেখলেই পারে। তবু অনিকের খেলা থাকলে বাবার দেখা চাই ই চাই। কি যে কষ্ট করে তাকে মাঠ পর্যন্ত নিয়ে যাই আমি আর দাদা জানি। আর আপনি দিব্যি ম্যাচ একাই টেনে নিলেন, দারুণ ফিল্ডিং করলেন, চার ছক্কার বন্যা বসিয়ে দিলেন, দল নিশ্চিত জিতবে তারপর যথারীতি ৯৭ রানে আউট হয়ে গেলেন। এত্ত রাগ লাগছে, ছ’রাকাত নফল নামাজ পড়েছি। মোড়ের ভুয়া কানাটাকে ৫টা টাকাও দিয়েছি, কি লাভ হলো। যত্তসব,আর কোনোদিন যদি গেছি ওই ছাগলের খেলা দেখতে। বাবাকে বলেছিলাম থাক, না যাই আজকে। না যেতেই হবে, এবার হলোতো, এখন খুবতো মন খারাপ করে বসে আছো। অসহ্য...


৩০-০৭-২০০৬
উফ আল্লাহ! অবশেষে শেষ হলো ঘোড়ার ডিমের পরীক্ষাটা। বাপরে বাপ! সেই কবে থেকে ঘরে বন্দি হয়ে আছি। শুধু পড়া, খাওয়া ঘুমৃআমার টুনটুনি আমার কুটুকুটু আমার ডাইরী সোনা তোমাকে কত্ত মিস করেছি জানো? অবশ্য অনিকের চেয়ে বেশি না, একটু কম। আরে বাবা রাগ করলে নাকি? একটু বুঝো প্লিজ। অনিক আমার বাবু না?
তবে এটা সত্যি পড়াশুনা আর নয়। উফ বাবাটা যে কি! অনেক তো পরলাম, এইচ এস সি দিয়ে দিলাম। আর কত?
সেই কবে অনিকের সাথে দেখা হয়েছিলো। অঙ্ক পরীক্ষার দিন, বেচারা দাঁড়িয়ে ছিলো হলের গেটে, আমাকে দেখে তার কি লজ্জা। কথাই বলেনা, কোনমতে এতটুকু বললো যে এমনি এদিক দিয়ে যাচ্ছিল তাই ভেবেছে হলে একটা ঢু মেরে যাই। ভেবেছিলাম জ্বালাবো খুব। কিন্তু বেচারার লজ্জা দেখে মায়া লেগে গেলো। আচ্ছা অনিক তুমি কি কোনদিনও কথাটা আমাকে বলবে না? দাদা পর্যন্ত টের পেয়ে গেছে, শুধু তুমিই কিছু বুঝোনা।


১৫-০৮-২০০৬
অনিকের কি যেন হয়েছে। কেমন যেন চুপচাপ হয়ে গেছে। সন্ধ্যায় আড্ডা দিতে আসেনা, প্র্যাকটিসেও যায়না। দাদা ফোন দিলে নাকি ফোনও ধরেনা। বাবাও সেদিন বলছিলো অনিকের কি হয়েছে রে-শুনলাম নাকি ন্যাশনাল টিমে ডাকতে পারে। কথাটা শুনে এত ভালো লেগেছিলো কান্না পেয়ে গিয়েছিলো আমার। ওইদিনই বিকেলে রিমুদের আইসক্রিম খাওয়াতে হয়েছে। কোন্ মতে ওদের কাটিয়ে হলমার্কস থেকে কার্ডও কিনে এনেছি। কিন্তু আমার রাজপুত্রের যে দেখাই নেই। আজও যদি না আসেৃ একদম গিয়ে হাজির হবো বাসায়। তখন দেখবো, কি করে।


১৭-০৯-২০০৬
অসহ্য লাগছে। মনে হচ্ছে পাগল হয়ে যাবো। একটা মাস হয়ে গেছে তোমাকে দেখিনা। তুমি নাকি রিমুকে বলেছো, তুমি খুব ভীতু মানুষ।কোনকিছু পাওয়ার সামর্থ্য তোমার নেই। এত কষ্ট পেয়েছি। তুমি ন্যাশনাল টীমে চান্স পেয়েছো, আমাকে ফেলে চলে যাচ্ছ। সারাদেশ তোমার পেছনে পেছনে ছুটবে। রাজকন্যা রাজ্য সব হবে তোমার। আমি কে? আমি কে তোমার?


২৫-০৯-২০০৬
আল্লাহ এটা কি করলে তুমি? আমি কখনোই এটা চাইনি। অনিক চলে যাবে ভেবে খুব কষ্ট হচ্ছিলো কিন্তু তাই বলে ওকে ডেকে নিয়ে বাদ দিয়ে দেবে। আর কোনদিনও খেলা দেখবোনা, কোনদিনও না। আল্লাহ এটা তুমি কি করলে?


০৩-১০-২০০৬
এখনো গা কাঁপছে আমার। বিশ্বাস হচ্ছে না। ও আল্লাহ আমি স্বপ্ন দেখিনিতো।
অনিকৃ অনিকৃ অনিকৃ
তুমি আমাকে ভালোবাসো? আমাকে? আমাকে? আমাকে? আমাকে? তুমি ভালোবাসো? আমাকে?
রিমু যখন আমাকে তোমার চিঠিটা দিলো, আমি ধরেই নিয়ে ছিলাম ও দুষ্টুমি করছে, যদিও রিমু আমার সবচেয়ে আপন বন্ধু, ও অন্তত জানে আমি কত্ত কত্ত কত্ত ভালোবাসি তোমাকে। চিঠিটাতে তোমার গন্ধ, লাইনগুলো আমাদের ভালোবাসার গল্প, মাত্র সাতটা কথা-
কণা তুমি কি জানো? পৃথিবীর সবচেয়ে ভাগ্যহীন বোকা আর মুখচোরা মানুষটা তোমার হয়ে গেছে। আজ নয়, কাল ও নয়, গত পরশু ও নয়,গত ছয় বছর আগে। তুমি কি কাউকে ভালোবাসো? বাসলে বলো, না বাসলেও - আমি শুধু আর একটা চিঠি দেব, তাতে শুধু লেখা থাকবে ভালোবাসি, ভালোবাসি, ভালোবাসি, তুমি নাই বা বাসলে; আমি একাই দুজনের টা বেসে নেব, অতটা ভালোবাসা আমার হৃদয়ে আছে কণা...
অনিক, আমি ভালোবাসি ভালোবাসি ভালোবাসি-শুধু তোমাকে।


০৫-১০-২০০৬
বাবু কেমন লাগলো আজকে? হি হি হি হি হি! ছয়টা বছর আমাকে কাঁদিয়েছো, দেখো এখন কেমন লাগে। মানুষ কত অদ্ভুত, কয়টা দিন আগেও যখন তুমি ন্যাশনাল টীমে যাই যাচ্ছি করছিলে কি ভয়েই না ছিলাম। আর কি কাজটাই না করলাম আজকেৃহি হি হি। বুকটা ধুঁকপুঁক করছিলো,তাও খুব সাহস করে বলেই ফেললাম, দেখো অনিক ভাইয়া তোমার তো সমস্যা অনেক, তুমি আসলে এতপরে জানিয়েছ, আসলে আমি তো, ইয়ে মানেৃ। হি হি হি হি হি হি হি। অনিক তো আরেকটো হলে কেঁদেই ফেলে। যখন বললাম আচ্ছা এক কাজ কর। আজ পর্যন্ত তো একটাও সেঞ্চুরি করতে পারলেনা, এর পরের যে ম্যাচটা খেলবে সেটাতে তোমাকে সেঞ্চুরি করতেই হবে। তবে নাহয় ভেবে দেখবো। কি পারবেনা? উফ আল্লাহ অনিকের মুখে যেন একটা একশ ওয়াটের বাল্ব জ্বলেই ফিউজ হয়ে গেলো। হা হা হা । বেচারা বাবুটা আমার!!!!!


১৯-১০-২০০৬
আমি এটা কি করলাম? মজা করতে গিয়ে কি করে বসলাম? টেনশনে ঘুম হারাম হয়ে গেছে, কাল অনিকের খেলা। কি হবে আল্লাহ। তুমিই পারো একমাত্র বাঁচাতে,উফ কি করলাম। নামাজ পড়ি যাই, আজ সারারাত নামাজ পড়বো।


২০-১০-২০০৬
অনিক হসপিটালে, ওকে কিছুতেই জানতে দেয়া যাবেনা, আমি মরে গেলেও না। কক্ষণো না।


২১-১০-২০০৬
অনিক তুমি যে কি, সবার সামনে হাত ধরে ফেললে। এত লজ্জা পেয়েছি আমি, এই তুমি কি? পাগল নাকি?


১৫-১১-২০১০
কাল সকালে আমাদের বিয়ে, কণা বিফং অনিকৃ
কিছু লেখার নেই আমার আজ, যা বলার তোমাকেই তো বলবো কাল থেকে, তাইনা বাবু?
আমাদের দশ বছরের লুকোচুরির পর দাম্পত্যের শুরু; এর মাঝে কোনো মিথ্যে নেই অনিক।
শুধু একটা কথা তোমাকে বলিনি কোনদিন, সেদিন লাস্ট বলে তোমার জাস্ট একটা রানই লাগতো, তুমি দারুন একটা শট নিলে, তুমি কিন্তু দৌড়াওনি, কয়েক সেকেন্ডও যায়নি তুমি সেন্সলেস হয়ে গেলে। দাদাই ক্যাচটা ধরে, ওতো জানতোনা কিছুই,
 
পরে ওকে সব বললাম তোমার সেন্স আসলো, তোমাকে বলা হলো তুমি ছক্কা পিটিয়েই সেঞ্চুরি করেছ, তুমি সবার সামনে আমার হাত ধরে কান্না করে দিলে খুশিতে...     তুমিও কাঁদছ, আমিও কাঁদছি, এবার আর আউট নয়, এবার লাভ এট নার্ভাস নাইনটিজ...

Comments

Popular posts from this blog

চরম একটা ভালবাসার গল্প

পড়লে ঠকবেন না, কথা দিচ্ছি অন্যরকম ভালবাসা মিজান দশম শ্রেণীর ছাত্র । শহরের একটা স্কুলে লেখাপড়া করে সে। শুধুমাত্র ওর পড়াশুনার জন্যই পুরো পরিবারের, গ্রাম থেকে এসে এইশহরে থাকা । বাবা চাকরির জন্য এখানে থাকতেপারেন না, সপ্তাহে দু'একদিন আসেন । তাই মা'কেই সামলাতে হয় সংসারের পুরো দায়িত্ব। মধ্যবিত্ত পরিবার, তাই সারা বছর টানা পোড়েন লেগেই থাকে । লেখাপড়া, বাড়ীভাড়া, বাজার-খরচ চালাতে মুটামুটি হিমসিম থেতে হয় তাকে, তার উপর আবার চিরসঙ্গী কোমরের ব্যাথা! শত কষ্টের মাঝেও তিনি নিজের কথা ভুলে ছেলের সকল চাহিদা পূরন করেন। ~ ~ ~ ~ ~ ~ ~ ~ ~ ~ কিছুদিন পর ১৪ই ফেব্রুয়ারী। বন্ধুমহলে আনাগোনা শুরু হয়ে গেছে,"কে কার প্রিয়জনকে কি gift দেবে?"এই নিয়ে । মিজানের অবশ্য তেমন বিশেষ কেউনেই। কিন্তু সেও gift কেনার জন্য টাকা জমাতে থাকে। সে ঠিক করে, এবার'ভালবাসা দিবসে' মাকে একটা কিছু দিবে । মার্কেটে অনেক ঘুরাঘুরির পর খুবসুন্দর একটা শাড়ী পছন্দ করে মায়ের জন্য । কিন্তু বিপত্তিটা হল দাম নিয়ে! শাড়ীটার দাম লেখা ৭০০/- টাকা.! (একদর)। কিন্তু ওতো এই ক'দিনে টিফিনের টাকা বাঁচিয...

আধুনিক ভালোবাসার গল্প

একটি কঠিন ভালুবাসার কাহিনি... রাজু আর মর্জিনা ফেসবুকে প্রায় প্রতিদিন চ্যাট করত!রাজু আস্তে আস্তে মর্জিনার প্রতি দুর্বল হতে থাকল!এবং একদিন এই কথাটা মর্জিনাকে বলে দিল!কিন্তু মর্জিনা 'না' করে দিল এবং রাজুর সাথে চ্যাটিং বন্ধ করে দিল! রাজু ভাই দুঃখে ঘাস খাইতে লাগিল!!! (যারা প্রেম করিতে চায়,তারা ঘরু-ঘাস ই খায়)! তার কিছুদিন পর মর্জিনা রাজুকে খুব মিস করিতে লাগিল!... এবং বুঝে গেছে যে সে রাজুর প্রেমে নাকানি- চুবানি খাইতেছে! কিন্তু লজ্জায় মর্জিনাপু কথাটি না বলতে পেরে রাজু সাবকে এক্ষান পিকচার ট্যাগ করিয়ছেনঃ 'আমিও তোমাকে আমার কৈলজা দিয়া দরদ করি' এইরাম টাইপের! বালুবাসা উতলাই পরতেছে!! আর এদিকে রাজু ভাই দুঃখে বিড়ি,সিগেরেট,মদ ,গাজা,বিয়ার,হুইস্কি খাইয়া,সব ট্যাকা- টুকা ফুরাইয়া '০.ফেসবুক.কম' চালাইতেছে! যার কারনে সে মর্জিনাপুর ট্যাগ করুইন্না পিকটা দেখতে পারে নাই!!! (হায় হায়রে )! আর এদিকে মর্জিনা অপেক্ষা করতে করতে দিন,মাস পার করে দিতেছে!তিনার অপেক্ষা রাগে পরিনিত হৈয়া গেছে,তাই তিনি কাইটা পরছেন! কাহিনিটা শেষ হয়নাই,আরেকটু আছেঃ একদিন রাজু ভাইয়ের আইডিটা জুক...

শূন্যতা

""""একটা মেয়েকে অনেক ভালবাসি... ৪ বছরের বেশি সময় ধরে আমাদের রিলেশন ছিল। ও আমাকে অনেক ভালবাসত,আমিও তাকে অনেক ভালবাসি. আমার রাগ ছিল অনেক, ও আমার রাগ টা কে অনেক বেশি ভয় পেত, সবকিছুই করতে পারত আমার জন্য... ৪ টি বছর শত ঝামেলার, অনেক বাঁধার মধ্যেও রিলেশন টা টিকে থাকে আমাদের, মাসে একবার অনেক কষ্টে ওর সাথে দেখা করার সুযোক হত, কখনো হত না, ওর সাথে আমার ফোন এ কথা হতো না কখনো...প্রতিদিন sms এ রাতে কথা হত। কিছুদিন হল তার সাথে আমার সাথে সব কিছুঁই শেষ হয়ে গেছে... কিভাবে.........? আজ থেকে ২৫ দিন আমাদের ঝগড়া হয়,এই রকম আগেও অনেকবার হয়েছে। সেদিন এর পর থেকে আর কোন কথা হয়নি আমাদের... মাঝখানে ৭ দিন পর সে কষ্টে আছে শুনে একদিন তাকে আমি ম্যাসেজ করি সে আমাকে উল্টাপাল্টা বলায় আমি আবার রেগে যাই. সে তার সব বান্ধবীদের বলে আমি নাকি তার সাথে ব্রেকআপ করেছি... আমার রাগ এর কারণে আবার ও সেদিন তাকে আমি কথা শুনিয়েছিলাম ও আমাকে Sorry বলে কিন্তু তার মুল্য দেইনি ফোন off করে রেখে দেই… গত ২৬ তারিখ রাতে তার আব্বু একটা রোড এক্সিডেন্ট এ মারা যায়, আমি পাশে থাকতে পারিনি তার... আমার ঢাকায় ও তার পর...