একটি ছেলে তিন বছর সম্পর্কের পরমেয়েকে বলতেছে ,ছেলেঃ আমার মনে হচ্ছে আমি
তোমাকে ভালোবাসি না ।মেয়েঃ কি ??ছেলেঃ হ্যা , আমি আমার জীবনকে তোমার সাথে
থেকে নষ্ট করতে পারবো না ।মেয়েঃ তুমি এই গুলো কি বলতেছ??? এই রকম করো না
আমার সাথে ।আমার ভুলটা কোথায় ? প্লিস বল ।ছেলেঃ আমি ব্রেক আপ চাচ্ছি
।মেয়েঃ আমি তোমাকে ছাড়া থাকতে পারবো নাছেলেঃ কিন্তু আমার ব্রেক আপ চাই।
এইটা বলে ছেলে টা চলে গেল । মেয়েটি রাত্রে বেলা অনেক কান্নাকাটি করল । সে
বুঝে উঠতে পারছেলিনা যে সে কি হারিয়েছে ।এই রকম কিছু দিন যাওয়ার পর ও
ছেলেটি মেয়েটির সাথে যোগাযোগ করলনা । তখন মেয়েটি নিজেকে অনেক শক্ত করল ।
এবং সে তার বাবমাকে তাকে বিয়ে দেওয়ার জন্যে পাত্র দেখতে বলল ।তারপর সে
অন্য একটি ছেলে কে বিয়ে করল । সে সবসময় ভাল থাকার চেষ্টা করত কিন্তু পারত
না ।এমনকি তার বিয়ের পর ও প্রত্যেক রাতে সে কাঁদত সেই ছেলেটির জন্যে যে
তাকে অন্ধকারে একা রেখে চলে গেছে ।সে এখনো বিশ্বাস করে তার সেই মানুষটি তার
কাছে আসবে , এবং তাকে নিয়ে একসাথে থাকবে,কিন্তু তা আর হল না ।বিয়ের ২
বছর পর মেয়েটি ছেলেটির বাড়িতে গেল তার বোনের সাথে দেখা করতে । তার
বোনতাকে ছেলেটির রুমে নিয়ে গেল এবং তারহাতে একটি চিঠি দিল এবং কেঁদে কেঁদে
বলল , যে তার ভাই ২ বছর আগে ক্যান্সার এ মারা গেছে । তারপর মেয়েটি
বাড়িতে গেল ,তারপর চিঠি টি খুলে পড়তে লাগলো "জান আমি জানি তুমি এখনো আমার
জন্যে অপেক্ষা করছ ,কিন্তু এই তা হয়ত আমাদের নিয়তিতে নেই । তুমি মন
খারাপ করো না , আমি এই কাজ করেছি শুধু তোমাকে শক্ত করার জন্যে,তোমাকে সামনে
এগিয়ে যাওয়ার জন্যে।কখনো নিজেকে দোষারোপ করো না কোন কিছুর জন্যে । আমি
এখনো বেচে আছি তোমার হৃদয়ের মাঝে । আছি না ?? এবং তোমার ভালবাসা কখনো
হারাবে না ।আশা ছেড়ো না , সবসময় হাসি খুশি থাকবে ,তুমি জানো আমি তোমার
হাসি মুখ তা দেখতে অনেক ভালোবাসি ।আমি সব সময় তোমার সাথে ছিলাম , আছি ,
থাকব ।
পড়লে ঠকবেন না, কথা দিচ্ছি অন্যরকম ভালবাসা মিজান দশম শ্রেণীর ছাত্র । শহরের একটা স্কুলে লেখাপড়া করে সে। শুধুমাত্র ওর পড়াশুনার জন্যই পুরো পরিবারের, গ্রাম থেকে এসে এইশহরে থাকা । বাবা চাকরির জন্য এখানে থাকতেপারেন না, সপ্তাহে দু'একদিন আসেন । তাই মা'কেই সামলাতে হয় সংসারের পুরো দায়িত্ব। মধ্যবিত্ত পরিবার, তাই সারা বছর টানা পোড়েন লেগেই থাকে । লেখাপড়া, বাড়ীভাড়া, বাজার-খরচ চালাতে মুটামুটি হিমসিম থেতে হয় তাকে, তার উপর আবার চিরসঙ্গী কোমরের ব্যাথা! শত কষ্টের মাঝেও তিনি নিজের কথা ভুলে ছেলের সকল চাহিদা পূরন করেন। ~ ~ ~ ~ ~ ~ ~ ~ ~ ~ কিছুদিন পর ১৪ই ফেব্রুয়ারী। বন্ধুমহলে আনাগোনা শুরু হয়ে গেছে,"কে কার প্রিয়জনকে কি gift দেবে?"এই নিয়ে । মিজানের অবশ্য তেমন বিশেষ কেউনেই। কিন্তু সেও gift কেনার জন্য টাকা জমাতে থাকে। সে ঠিক করে, এবার'ভালবাসা দিবসে' মাকে একটা কিছু দিবে । মার্কেটে অনেক ঘুরাঘুরির পর খুবসুন্দর একটা শাড়ী পছন্দ করে মায়ের জন্য । কিন্তু বিপত্তিটা হল দাম নিয়ে! শাড়ীটার দাম লেখা ৭০০/- টাকা.! (একদর)। কিন্তু ওতো এই ক'দিনে টিফিনের টাকা বাঁচিয...
Comments
Post a Comment