Skip to main content

সুখতারার জন্য ভালবাসা

অফিসে একটা মিটিং এ খুব ব্যস্ত।
এদিকে সুখতারার ফোন দিয়েই
যাচ্ছে। ও জানে আজ আমি খুব ব্যস্ত
থাকব। তারপরও ওর ফোনে অবাক
হচ্ছি না… ও এরকমই করে। আমার
ব্যস্ততার দিনে ও আমাকে আরও
বেশি ফোন দেয়, কারন আমি যেন
ওকে আমার ব্যস্ততার ভেতর
ভুলে না যাই। বাধ্য হলাম মোবাইল
রিসিভ করতে…
- আমি মিটিং এ জানু…
(আমি ওকে জানু পাখি বলে ডাকি,
ভালবাসার ডাক)
- আপনি বাইরে আসেন
জরুরি কথা আছে। (সুখতারার
আমাকে আপনি বলে। আমি অনেক
চেষ্টা করেও তুমি বলাতে পারিনি)
- খুব জরুরি জানু? মিটিং শেষ
করে ফোন দেই? ফিস ফিসিয়ে বললাম।
- না এক্ষুনি আসেন।
জরুরি কথা আছে।
মিটিং রুমের বাইরে এলাম।
কি হইছে বলো জানু।
- আমার মুখে ব্রন হইছে।
- এই বয়সে ব্রন হতেই পারে। কিছু
নিয়ম মেনে চললে এটা সেরে যাবে।
- না নিয়ম মানতে পারবো না।
ডাক্তারের সাথে কথা বলেন এক্ষুনি।
- আচ্ছা আমি কথা বলে তোমার
ব্রনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছি।
- ঠিক আছে। যান আপনার
মিটিং যান। খোদা হাফেজ। লাইন
কেটে দিলো।
এই মেয়েটা জানে আমি ওকে কত
বেশি ভালোবাসি। এর এই
ভালবাসাটা আদায়
করে নিতে পারে কড়ায় গণ্ডায়।
যেটা একজন মানুষের জন্য জ্বালাতন,
সেটা ওর জন্য আমার
কাছে ভালবাসা। ওর
পাগলামিতে ওর প্রতি আমার
ভালবাসা আরও বেড়ে যায়।
আমাকে জানানো ছাড়া সুখতারা কোন
কাজ করে না বা আমার সিদ্ধান্তের
বাইরে কোনো ওর কোনো সিদ্ধান্ত
থাকে না। একটা মানুষ কিভাবে অন্ধ
বিশ্বাসে আরেকটা মানুষের উপর
এতটা নির্ভরশীল হয়
তা আমি ভেবে পাই না। মনের
অজান্তেই হেসে দিলাম।
মিটিং রুমের
দরজা দিয়ে তাকিয়ে দেখি আমার
কলিগ আমার দিকে তাকিয়ে হাসছে।
০২.
রাত ২.৩৮ বাজে। সারাদিনের
ক্লান্তি নিয়ে গভীর ঘুমে। ঘুমের
মধ্যেই সুখতারাকে নিয়ে স্বপ্ন
দেখছি। হটাৎ ফোন বেজে উঠল।
লাফিয়ে উঠে ফোন
কাছে নিয়ে দেখলাম সুখতারার
ফোন।
- হ্যালো জানু।
- হুম। কি করেন?
- ঘুমাচ্ছিলাম জানু। তুমি কি কর এত
রাতে?
- পড়ছিলাম।
সকালে না পরীক্ষা আমার।
ভুলে গেছেন? (মনে মনে প্রমাদ গুনলাম
এই ভুলে যাওয়ার কথা এখন স্বীকার
করলে লঙ্কা কাণ্ড
বাঁধিয়ে ফেলবে ফোনে)
- না ভুলি নাই তো। তোমার
তো সকাল ৯ টায় পরীক্ষা। ঠিক
না জানু?
- হুম। আমাকে সকাল ৬ টায়
ডেকে দিবেন। আমি ৬ টায়
উঠে পরতে বসবো। তারপর
পরীক্ষা দিতে যাবো। ঠিক আছে?
- ঠিক আছে।
- ঘুমান তাহলে। আমিও ঘুমাই।
সকালে কথা হবে। গুড নাইট। ফোনের
লাইন কেটে দিলো।
ফোন হাতে নিয়ে কিছুক্ষন
বসে থাকলাম। তারপর সকাল ৬ তার
অ্যালার্ম দিলাম। সকাল ৬ টায়
সুখতারাকে জাগিয়ে দিয়ে আমি আরও
কিছুক্ষন ঘুমাব। ওকে ঘুম
থেকে জাগানোর মতো মহৎ
দায়িত্বটাও আমার। নিজের বাসার
কাউকে বললে অথবা মোবাইলে অ্যালার্ম
দিয়ে রাখলে কিন্তু হয়ে যায়। কিন্তু
ওই যে আছি না আমি। সুখতারা আর
আমার বসবাসের ব্যবধান ৩৫০
কিলোমিটার এরও বেশি। কিন্তু মনের
ভেতর কোন ব্যবধান নাই। মনে হয়
সে আমার পাশেই আছে সারাক্ষন।
রেল লাইনের মতো সারা জীবন
আমরা পাশাপাশি বাস করছি সৃষ্টির
অনাদি কাল থেকেই।
০৩.
ধানমণ্ডি লেকের বেঞ্চে আমার
পাশে বসে সুখতারা পা দোলাচ্ছে আর
আমার দিকে তাকিয়ে নানা রকম প্রশ্ন
করছে। যার বেশির ভাগই শিশুসুলভ। আর
আমি মহাজ্ঞানীর মতো সকল প্রশ্নের
উত্তর দিয়ে যাচ্ছি। হটাৎ
বললো আইসক্রিম খাবো।
আমি আইসক্রিম নিয়ে এলাম। ও
মাথা কাত করে আইসক্রিম খাচ্ছে।
আমি ওর দিকে এক
দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছি। এই
মেয়েটাকে কেন আমি এত
ভালবাসি। কি আছে ওর ভেতর।
ইউনিভার্সিটিতে পড়া একটা মেয়ে বাচ্চা মেয়ের
মতো বসে পা দোলাচ্ছে আর
আইসক্রিম খাচ্ছে এটা নিশ্চই সবার
কাছে গ্রহনযোগ্য একটি দৃশ্য নয়। আর এই
মেয়েটির জন্যই কিনা আমি হাতের
তালুতে আমার জীবন
বাজি রেখে চলতে পারি। এক
নিঃশ্বাসে ঘুরে আসতে পারি পাঁচটি মহাদেশ।
এক চুমুকেই শেষ করে দিতে পারি সাত
মহাসাগরের পানি
- কি ভাবছেন (সুখতারা আইসক্রিম
খাওয়া বাদ দিয়ে হটাৎ এই প্রশ্ন
করলো)
- তোমার কথা
- আমার কথা কি ভাবছেন
আমি অপ্রস্তুত হয়ে গেলাম। আসলে এই
প্রশ্নের উত্তর দেওয়া খুব কঠিন।
কি না ভাবছি এই মেয়েকে নিয়ে।
যে আর কদিন পর আমার ঘরের বউ হবে।
আমাকে শাসন করবে, ভালোবাসবে,
সারা ঘরময় ছুটাছুটি করবে আমার টাই
টা, মোবাইল টা কোথায় এইসব খুজতে,
আমার জন্য হাজার রকমের
চিন্তা করবে,
আমাকে জড়িয়ে ধরে ঘুমাবে কত
রকমের ভাবনা ভাবছি।
- অনেক কিছু ভাবছি জানু
- ভাবতে থাকেন। আমার খুব ঘুম
পাচ্ছে। আমি ঘুমাবো।
সুখতারা গায়ে হেলান দিয়ে আমার
কাধের উপর মাথা দিলো। পাশ
দিয়ে পথচারীরা যাওয়ার সময় দু-এক জন
রহস্যর হাসি দিয়ে গেল। যাক।
সারা দুনিয়ার মানুষ দেখুক এই
মেয়েটি শুধু আমার। আমার
কাধে যে মাথা রেখে নিশ্চিন্তে চোখ
বুজে আছে। আর কিছুদিন পর যে আমার
বুকে মাথা রেখে ঘুমাবে । এখন
থেকেই সুখতারা নিশ্চিত হতে চায়
যে বুকে ও মাথা রাখবে সে বুক
ওকে বহন করার মতো যথেস্থ শক্ত ও
অনেক বেশি শীতল
ছায়া সেখানে আছে।
০৪.
সারাদিন খবরটা চেপে গেছি।
ভেবেছি রাতে ফোন
দিয়ে খবরটা দিব এবং এই
উপলক্ষে সারারাত কথা বলব। রাতের
সকল কাজ সেরে সুখতারাকে ফোন
দিলাম। কল ওয়েটিং। কিছু সময় পর
আবার কল দিলাম। কল ওয়েটিং।
অনেকক্ষণ পর আবার ফোন দিলাম। কল
ওয়েটিং। কি হল আজ। সাধারণত আমার
কল দেখলে সুখতারা আগের
জনকে হোল্ড করে আমার কল রিসিভ
করে। আজ করছে না কেন। বুকের ভেতর
অজানা আতঙ্কে চিন চিন
করতে লাগলো। অনেকক্ষন পর সুখতারার
ফোন।
- কি করো জানু?
- কি করি দেখেন না?
ফোনে কথা বলছিলাম বন্ধুর সাথে।
(কণ্ঠে ঝাঁঝালো স্বর)
- ও আচ্ছা। কথা বলা কি শেষ?
- না। আবারও কথা বলবো।
আপনি কি বলবেন তারাতারি বলেন।
- তুমি তোমার বন্ধুর
সাথে কথা শেষ করে আমাকে ফোন
দিও। সারারাত কথা বলবো আজ।
একটা ভালো খবর আছে।
- আমার অত টাইম নাই সারারাত
কথা বলার।
- ওকে তাহলে যার জন্য তোমার
টাইম আছে তার সাথেই কথা বল। আজ
আমার চেয়ে তোমার বন্ধুই তোমার
কাছে বড় হয়ে গেল। (কঠিন স্বরেই
বললাম)
ফোনের লাইন কেটে দিলো। বুজলাম
না কি হল আজ। হটাৎ করেই এই পরিবর্তন।
সারারাত ফোন
হাতে নিয়ে বসে থাকলাম। সুখতারার
আর কোন ফোন পেলাম না। আমার
প্রমোশনের খবরটা ওকে জানাতেই
পারলাম না।
০৫.
পদ্মা- মেঘনায় অনেক জল বয়ে গেছে।
সাহারার বুক থেকে কোটি কোটি টন
ধুলিকনা উড়ে গিয়ে পড়েছে ভু-
মধ্যসাগরে। কেউ কোন খোঁজ
নেয়নি আমার। সুখতারা আমার ফোন
রিসিভ করে না। আমাকে কল দেয়না।
আমি বেঁচে আছি জলন্ত কয়লার উপর।
প্রতিটা মুহূর্ত হাজার টনের
হাতুরি আমার বুকের ভেতর আঘাত করে,
কেউ শুনেনা সে আঘাতের শব্দ।
নিঃশব্দে ক্ষয়ে ক্ষয়ে যাচ্ছি।
আরেকটি বসন্ত চলে গিয়ে আমার জন্ম
দিন এলো। বন্ধু-বান্ধব আমার এই
অবস্থা দেখে আমার জন্ম
দিনে আমাকে দূর এক
গ্রামে নিয়ে গেল আমার মন
ভালো করার জন্য। কি করে বোঝাই
ওদের সুখতারা ছাড়া আমার এ তপ্ত বুক
ঠাণ্ডা হবে না।
ফোনটা বেজে উঠলো। সুখতারার এক
আন্টির ফোন। অনেক আশা পেলাম।
ভাবলাম বাড়িতে হয়তো কোন
সমস্যার
কারনে আমাকে এতদিনে ফোন
দিতে পারে নাই। তাই আজ আমার জন্ম
দিনে শুভেচ্ছা জানাতে আমার
সুখতারা আমাকে ফোন দিয়েছে।
ফোন রিসিভ করলাম।
- হ্যালো
- ক্যামন আছো বাবা? (আন্টির
ফোন)
আমি চুপ থাকলাম। ক্যামন
থাকতে পারি আমি আমার
সুখতারাকে ছাড়া।
এইটা যারা বুঝে না তাদেরকে বোঝানো যাবে না।
- সুখতারার কোন খবর
জানো বাবা?
- না আন্টি। ও আমার সাথে কোন
যোগাযোগ করে না। অনেক অভিমান
নিয়েই কথাটা বললাম।
-
বাবা কি করে তোমাকে বলি কথাটা।
তবু বলা দরকার। আজ সুখতারার বিয়ে।
ভালো একটা ছেলে পাওয়া গেছে।
সুখতারাও রাজি হয়ে গেলো। ওর
বাবা মা আর দেরি করলো না।
তোমার কষ্ট টা আমি বুঝি বাবা। ওই
বয়স টা আমি পার করে আসেছি।
তুমি সুখতারার জন্য দোয়া করো।
ভালো থেকো বাবা।
হাতে চিনচিনে যন্ত্রণায় ঘুম
ভেঙ্গে গেলো। ঘরটা অপরিচিত।
ভালো করে চোখ মেলে বুজলাম
আমি ক্লিনিকে। হাতে স্যালাইনের
সুঁইয়ের যন্ত্রণা আর ঘাড়ের
পেছনে প্রচণ্ড ব্যথা অনুভব
করতে পারছি। পাশে অনেক লোকের
ভিড়। আমি যন্ত্রণায় ও
ক্লান্তিতে আবারও চোখ বুজলাম।
০৬.
আচ্ছা এখন কি সকাল হয়? হয়তো।
প্রতিদিনই সূর্য উঠে। সূর্য ডুবে যায়।
কিন্তু আমার আকাশে কেন সূর্য
উঠে না? আজ আমি রোবটের
মতো একটা প্রাণী। আমার ভেতর কেন
আর ভালোবাসা জাগে না? কেন
আমি আর কাঊকে নিয়ে স্বপ্ন
দেখতে পারিনা। নাহ সেই অধিকার
আর কারো নাই। যা ছিল সুখতারার জন্য
তা সবসময়য় সুখতারার জন্যই থাকবে। এখন
আমার অবসর
কাটে সুখতারাকে না পাবার
যন্ত্রণায়, সুখতারাকে ভালবাসার
আনন্দে। সুখতারা আমার
জীবনে না এলে আমার
বেঁচে থাকাটাই খুব বেশি কষ্টের
হতো। আমার এই বিক্ষুব্ধ
জীবনে সুখতারাকে অস্বীকার করার
কোন উপায় নাই।
সুখতারাকে অস্বীকার
করা মানে নিজেকে অস্বীকার করা।
সুখতারাকে অস্বীকার
করা মানে আমার
অস্তিত্বকে অস্বীকার করা। আমার
জীবনের সকল প্রেম, ভালবাসা,
আবেগ, উল্লাস, বেঁচে থাকা সব কিছুই
সুখতারার জন্য। সুখতারা কি জানে ওর
জন্য আমার ভালবাসার গভীরতা?
ওকি জানে ওর প্রতি আমার
ভালবাসার গভীরতা মাপার মতো গজ
ফিতা আজও আবিস্কার
হয়নি পৃথিবীতে।
সুখতারাকে না পাবার প্রচণ্ড
দাবদাহে বুকের ভেতরই
শুকিয়ে গেলো ভালবাসার উচ্ছল
নদীটি। সুখতারা আমার
সীমানা পেরিয়ে গেলেও আমার
ভালবাসার
সীমানা পেরিয়ে যেতে পারে নাই।
সুখতারা এমন একজনকে জীবন
থেকে হারাল যার প্রয়োজন সুখতারার
সবচেয়ে বেশী প্রয়োজন ছিল। আমার
মতো করে আর কেও
ভালোবাসবেনা সুখতারাকে। আমার
মতো করে আর কেও ওকে বুঝবেনা।
সুখতারা কী বুঝতে পারে ওর জন্য
আমার হৃদয়ের রক্তক্ষরণ। আচ্ছা ও কি ওর
স্বামীর সাথেও
পাগলামি করে যেমনটা করতো আমার
সাথে। আমার জীবন নদীর দুকুল
ভেঙ্গে চলে গেছে সুখতারা। এখনও
আমি সারারাত জোৎস্না দেখি,
বনে-পাহাড়ে ঘুরে বেড়াই।
আমি প্রকৃতির মাঝেই খুঁজে বেড়াই
আমার সুখতারাকে।
সুখতারা আমাকে যে কষ্ট
দিয়ে গেছে তা আমি আমানতের
মতো বয়ে নিয়ে বেড়াচ্ছি।
সুখতারা আমার সুখতারা। তুমি এত
বেশি কষ্ট কেন আমাকে দিলে। আমার
কি অপরাধ ছিল। আমার কি কোন ভুল
ছিল। হয়তোবা কোথাও ভুল ছিল…
আমার সুখতারা ভালো থাকুক,
সুখে থাকুক।

Comments

Popular posts from this blog

চরম একটা ভালবাসার গল্প

পড়লে ঠকবেন না, কথা দিচ্ছি অন্যরকম ভালবাসা মিজান দশম শ্রেণীর ছাত্র । শহরের একটা স্কুলে লেখাপড়া করে সে। শুধুমাত্র ওর পড়াশুনার জন্যই পুরো পরিবারের, গ্রাম থেকে এসে এইশহরে থাকা । বাবা চাকরির জন্য এখানে থাকতেপারেন না, সপ্তাহে দু'একদিন আসেন । তাই মা'কেই সামলাতে হয় সংসারের পুরো দায়িত্ব। মধ্যবিত্ত পরিবার, তাই সারা বছর টানা পোড়েন লেগেই থাকে । লেখাপড়া, বাড়ীভাড়া, বাজার-খরচ চালাতে মুটামুটি হিমসিম থেতে হয় তাকে, তার উপর আবার চিরসঙ্গী কোমরের ব্যাথা! শত কষ্টের মাঝেও তিনি নিজের কথা ভুলে ছেলের সকল চাহিদা পূরন করেন। ~ ~ ~ ~ ~ ~ ~ ~ ~ ~ কিছুদিন পর ১৪ই ফেব্রুয়ারী। বন্ধুমহলে আনাগোনা শুরু হয়ে গেছে,"কে কার প্রিয়জনকে কি gift দেবে?"এই নিয়ে । মিজানের অবশ্য তেমন বিশেষ কেউনেই। কিন্তু সেও gift কেনার জন্য টাকা জমাতে থাকে। সে ঠিক করে, এবার'ভালবাসা দিবসে' মাকে একটা কিছু দিবে । মার্কেটে অনেক ঘুরাঘুরির পর খুবসুন্দর একটা শাড়ী পছন্দ করে মায়ের জন্য । কিন্তু বিপত্তিটা হল দাম নিয়ে! শাড়ীটার দাম লেখা ৭০০/- টাকা.! (একদর)। কিন্তু ওতো এই ক'দিনে টিফিনের টাকা বাঁচিয...

আধুনিক ভালোবাসার গল্প

একটি কঠিন ভালুবাসার কাহিনি... রাজু আর মর্জিনা ফেসবুকে প্রায় প্রতিদিন চ্যাট করত!রাজু আস্তে আস্তে মর্জিনার প্রতি দুর্বল হতে থাকল!এবং একদিন এই কথাটা মর্জিনাকে বলে দিল!কিন্তু মর্জিনা 'না' করে দিল এবং রাজুর সাথে চ্যাটিং বন্ধ করে দিল! রাজু ভাই দুঃখে ঘাস খাইতে লাগিল!!! (যারা প্রেম করিতে চায়,তারা ঘরু-ঘাস ই খায়)! তার কিছুদিন পর মর্জিনা রাজুকে খুব মিস করিতে লাগিল!... এবং বুঝে গেছে যে সে রাজুর প্রেমে নাকানি- চুবানি খাইতেছে! কিন্তু লজ্জায় মর্জিনাপু কথাটি না বলতে পেরে রাজু সাবকে এক্ষান পিকচার ট্যাগ করিয়ছেনঃ 'আমিও তোমাকে আমার কৈলজা দিয়া দরদ করি' এইরাম টাইপের! বালুবাসা উতলাই পরতেছে!! আর এদিকে রাজু ভাই দুঃখে বিড়ি,সিগেরেট,মদ ,গাজা,বিয়ার,হুইস্কি খাইয়া,সব ট্যাকা- টুকা ফুরাইয়া '০.ফেসবুক.কম' চালাইতেছে! যার কারনে সে মর্জিনাপুর ট্যাগ করুইন্না পিকটা দেখতে পারে নাই!!! (হায় হায়রে )! আর এদিকে মর্জিনা অপেক্ষা করতে করতে দিন,মাস পার করে দিতেছে!তিনার অপেক্ষা রাগে পরিনিত হৈয়া গেছে,তাই তিনি কাইটা পরছেন! কাহিনিটা শেষ হয়নাই,আরেকটু আছেঃ একদিন রাজু ভাইয়ের আইডিটা জুক...

শূন্যতা

""""একটা মেয়েকে অনেক ভালবাসি... ৪ বছরের বেশি সময় ধরে আমাদের রিলেশন ছিল। ও আমাকে অনেক ভালবাসত,আমিও তাকে অনেক ভালবাসি. আমার রাগ ছিল অনেক, ও আমার রাগ টা কে অনেক বেশি ভয় পেত, সবকিছুই করতে পারত আমার জন্য... ৪ টি বছর শত ঝামেলার, অনেক বাঁধার মধ্যেও রিলেশন টা টিকে থাকে আমাদের, মাসে একবার অনেক কষ্টে ওর সাথে দেখা করার সুযোক হত, কখনো হত না, ওর সাথে আমার ফোন এ কথা হতো না কখনো...প্রতিদিন sms এ রাতে কথা হত। কিছুদিন হল তার সাথে আমার সাথে সব কিছুঁই শেষ হয়ে গেছে... কিভাবে.........? আজ থেকে ২৫ দিন আমাদের ঝগড়া হয়,এই রকম আগেও অনেকবার হয়েছে। সেদিন এর পর থেকে আর কোন কথা হয়নি আমাদের... মাঝখানে ৭ দিন পর সে কষ্টে আছে শুনে একদিন তাকে আমি ম্যাসেজ করি সে আমাকে উল্টাপাল্টা বলায় আমি আবার রেগে যাই. সে তার সব বান্ধবীদের বলে আমি নাকি তার সাথে ব্রেকআপ করেছি... আমার রাগ এর কারণে আবার ও সেদিন তাকে আমি কথা শুনিয়েছিলাম ও আমাকে Sorry বলে কিন্তু তার মুল্য দেইনি ফোন off করে রেখে দেই… গত ২৬ তারিখ রাতে তার আব্বু একটা রোড এক্সিডেন্ট এ মারা যায়, আমি পাশে থাকতে পারিনি তার... আমার ঢাকায় ও তার পর...