Skip to main content

তুমি আমার কাছে এখনও সেই মেয়েটিই আছো

মেয়ে দুজন দুজনকে খুব ভালবাসতো।
কিন্তু ছেলেটির পরিবার খুব গরীব হওয়ায় মেয়েটির
পরিবার তাদের এই সম্পর্ক মেনে নিতে চাইল না।
ছেলেটি চেয়েছিল পরিবারের
সম্মতিতে মেয়েটিকে বিয়ে করতে। তাই সে আপ্রাণ
চেষ্টা করল মেয়েটির বাবা মাকে রাজি করাতে।
মেয়েটির বাবা মা বুঝতে পারলো যে ছেলেটি খুব
ভালো মনের একজন মানুষ। তাই
তারা ছেলেটিকে মেনে নিলেন।
কিন্তু ছেলেটি ছিল একজন সৈনিক। তাই যুদ্ধের জন্য
তাকে দূরের এক অন্য এক শহরে চলে যেতে হল। কিন্তু
সে মেয়েটির কাছে প্রতিজ্ঞা করে গিয়েছিলো যে এক
বছর পর যুদ্ধ শেষে সে যখন বাড়ি ফিরবে তখন
মেয়েটিকে তার ঘরের বউ করে নিয়ে যাবে। চোখের
জলে মেয়েটি বিদায় দিলো তাকে...
মেয়েটি অপেক্ষা করতে থাকে...কিন্তু এর মাঝেই
ঘটে যায় একটি অঘটন...একটি সড়ক দুর্ঘটনায়
মেয়েটির
চেহারা ক্ষত-বিক্ষত হয়ে যায়...তার শরীরও অনেক
আঘাত পায়...
মেয়েটি আয়নায় নিজের চেহারা দেখে চিৎকার
করে কাঁদে...সে ভাবে যে তার এই
চেহারা দেখে ছেলেটি হয়তো তাকে আর
ভালবাসবে না...তাই সে ছেলেটির সাথে আর কোন
যোগাযোগ করে না...ছেলেটির চিঠির উত্তর দেয় না,
ফোন ধরে না...
এভাবে কেটে যায় এক বছর...মেয়েটির মা একদিন
মেয়েটিকে বলে যে ছেলেটি বাড়ি ফিরেছে...
মেয়েটি তার মাকে তার অনুরোধ করে যে তিনি যেন
তার
সম্পর্কে ছেলেটিকে কিছু না বলে...ছেলেটি তার খোঁজ
করলে তিনি যেন বলেন যে সে এখানে নেই...
মেয়েটির মা তখন মেয়েটিকে বলে যে,
ছেলেটি বিয়ে করতে যাচ্ছে...তিনি বিয়ের
কার্ডটা মেয়েটির হাতে দেন...
মেয়েটির মন ভেঙ্গে যায়...কারন সে তখনও
ছেলেটিকে খুব ভালবাসতো...
এক বুক কষ্ট নিয়ে সে কার্ডটি খুলল...এবং দেখল
ছেলেটির পাশে আর কারো নয়, তার নিজের নাম...!!
“এটা অসম্ভব...এটা হতে পারে না”
মেয়েটি কাঁদতে কাঁদতে বলল...
তখনি ছেলেটি একগুচ্ছ লাল গোলাপ নিয়ে মেয়েটির
সামনে দাঁড়ালো...এবং বলল
মেয়েটি হাত দিয়ে নিজের চেহারা আড়াল করে উত্তর
দিলো, “আমি কুৎসিত......”
মেয়েটির হাত দুটো ধরে ছেলেটি বলল, “না, তুমি ঠিক
আগের মতই সুন্দর...তোমার অনুমতি ছাড়াই তোমার
মা আমকে সব জানিয়েছিলেন, তোমার কিছু ছবিও
পাঠিয়েছিলেন...তোমাকে দেখে আমার কখনই
মনে হয়নি যে কিছু পরিবর্তন হয়েছে...তুমি আমার
কাছে এখনও সেই মেয়েটিই আছো,
যাকে আমি ভালবেসেছিলাম......
সত্যিকারের ভালোবাসার
সম্পর্কগুলো এমনি হওয়া উচিত...

Comments

Popular posts from this blog

চরম একটা ভালবাসার গল্প

পড়লে ঠকবেন না, কথা দিচ্ছি অন্যরকম ভালবাসা মিজান দশম শ্রেণীর ছাত্র । শহরের একটা স্কুলে লেখাপড়া করে সে। শুধুমাত্র ওর পড়াশুনার জন্যই পুরো পরিবারের, গ্রাম থেকে এসে এইশহরে থাকা । বাবা চাকরির জন্য এখানে থাকতেপারেন না, সপ্তাহে দু'একদিন আসেন । তাই মা'কেই সামলাতে হয় সংসারের পুরো দায়িত্ব। মধ্যবিত্ত পরিবার, তাই সারা বছর টানা পোড়েন লেগেই থাকে । লেখাপড়া, বাড়ীভাড়া, বাজার-খরচ চালাতে মুটামুটি হিমসিম থেতে হয় তাকে, তার উপর আবার চিরসঙ্গী কোমরের ব্যাথা! শত কষ্টের মাঝেও তিনি নিজের কথা ভুলে ছেলের সকল চাহিদা পূরন করেন। ~ ~ ~ ~ ~ ~ ~ ~ ~ ~ কিছুদিন পর ১৪ই ফেব্রুয়ারী। বন্ধুমহলে আনাগোনা শুরু হয়ে গেছে,"কে কার প্রিয়জনকে কি gift দেবে?"এই নিয়ে । মিজানের অবশ্য তেমন বিশেষ কেউনেই। কিন্তু সেও gift কেনার জন্য টাকা জমাতে থাকে। সে ঠিক করে, এবার'ভালবাসা দিবসে' মাকে একটা কিছু দিবে । মার্কেটে অনেক ঘুরাঘুরির পর খুবসুন্দর একটা শাড়ী পছন্দ করে মায়ের জন্য । কিন্তু বিপত্তিটা হল দাম নিয়ে! শাড়ীটার দাম লেখা ৭০০/- টাকা.! (একদর)। কিন্তু ওতো এই ক'দিনে টিফিনের টাকা বাঁচিয...

আধুনিক ভালোবাসার গল্প

একটি কঠিন ভালুবাসার কাহিনি... রাজু আর মর্জিনা ফেসবুকে প্রায় প্রতিদিন চ্যাট করত!রাজু আস্তে আস্তে মর্জিনার প্রতি দুর্বল হতে থাকল!এবং একদিন এই কথাটা মর্জিনাকে বলে দিল!কিন্তু মর্জিনা 'না' করে দিল এবং রাজুর সাথে চ্যাটিং বন্ধ করে দিল! রাজু ভাই দুঃখে ঘাস খাইতে লাগিল!!! (যারা প্রেম করিতে চায়,তারা ঘরু-ঘাস ই খায়)! তার কিছুদিন পর মর্জিনা রাজুকে খুব মিস করিতে লাগিল!... এবং বুঝে গেছে যে সে রাজুর প্রেমে নাকানি- চুবানি খাইতেছে! কিন্তু লজ্জায় মর্জিনাপু কথাটি না বলতে পেরে রাজু সাবকে এক্ষান পিকচার ট্যাগ করিয়ছেনঃ 'আমিও তোমাকে আমার কৈলজা দিয়া দরদ করি' এইরাম টাইপের! বালুবাসা উতলাই পরতেছে!! আর এদিকে রাজু ভাই দুঃখে বিড়ি,সিগেরেট,মদ ,গাজা,বিয়ার,হুইস্কি খাইয়া,সব ট্যাকা- টুকা ফুরাইয়া '০.ফেসবুক.কম' চালাইতেছে! যার কারনে সে মর্জিনাপুর ট্যাগ করুইন্না পিকটা দেখতে পারে নাই!!! (হায় হায়রে )! আর এদিকে মর্জিনা অপেক্ষা করতে করতে দিন,মাস পার করে দিতেছে!তিনার অপেক্ষা রাগে পরিনিত হৈয়া গেছে,তাই তিনি কাইটা পরছেন! কাহিনিটা শেষ হয়নাই,আরেকটু আছেঃ একদিন রাজু ভাইয়ের আইডিটা জুক...

শূন্যতা

""""একটা মেয়েকে অনেক ভালবাসি... ৪ বছরের বেশি সময় ধরে আমাদের রিলেশন ছিল। ও আমাকে অনেক ভালবাসত,আমিও তাকে অনেক ভালবাসি. আমার রাগ ছিল অনেক, ও আমার রাগ টা কে অনেক বেশি ভয় পেত, সবকিছুই করতে পারত আমার জন্য... ৪ টি বছর শত ঝামেলার, অনেক বাঁধার মধ্যেও রিলেশন টা টিকে থাকে আমাদের, মাসে একবার অনেক কষ্টে ওর সাথে দেখা করার সুযোক হত, কখনো হত না, ওর সাথে আমার ফোন এ কথা হতো না কখনো...প্রতিদিন sms এ রাতে কথা হত। কিছুদিন হল তার সাথে আমার সাথে সব কিছুঁই শেষ হয়ে গেছে... কিভাবে.........? আজ থেকে ২৫ দিন আমাদের ঝগড়া হয়,এই রকম আগেও অনেকবার হয়েছে। সেদিন এর পর থেকে আর কোন কথা হয়নি আমাদের... মাঝখানে ৭ দিন পর সে কষ্টে আছে শুনে একদিন তাকে আমি ম্যাসেজ করি সে আমাকে উল্টাপাল্টা বলায় আমি আবার রেগে যাই. সে তার সব বান্ধবীদের বলে আমি নাকি তার সাথে ব্রেকআপ করেছি... আমার রাগ এর কারণে আবার ও সেদিন তাকে আমি কথা শুনিয়েছিলাম ও আমাকে Sorry বলে কিন্তু তার মুল্য দেইনি ফোন off করে রেখে দেই… গত ২৬ তারিখ রাতে তার আব্বু একটা রোড এক্সিডেন্ট এ মারা যায়, আমি পাশে থাকতে পারিনি তার... আমার ঢাকায় ও তার পর...