মাসের শেষ। চার বন্ধুর কাছে মোট মিলিয়ে একশো ত্রিশ টাকা। ষাট টাকার
শুটকি,চারটা ডিম আর এক কেজি আলুতেই শেষ।বাকি ছিলো বারো টাকা। দশ টাকায় কেনা
হলো আমাদের চিরসঙ্গী "প্রথম আলো"
একজন কোচিং এ যেতে পারেনি ভাড়া নেই বলে। সারাদিন শুয়ে বসে আর ফোন ঘাটাঘাটি করেই দিন চলে যাচ্ছে আমাদের। মাসের সাতাশ তারিখ থেকে আমাদের এ অবস্থা। মাসের প্রথম কিংবা মাঝামাঝিতে আমরা সকালে ডিম-পরোটা,দুপুরে ভাত, বিকেলে ও কোন না কোন নাস্তা এবং মাঝে মাঝে মধ্যরাতেও চিপস আর মিরিন্ডা খাওয়া চলে।
অথচ, আমাদের লেদারের মানিব্যাগ গুলো চেয়ে আছে আমাদের দিকে। দুপুরে শুটকি দিয়ে কোন মতে ভাত গিলে সবাই ঘুমিয়ে পড়েছিলাম। সবার আগে উঠি আমি। উঠেই খুশিতে লাফিয়ে উঠি। আমার টাকা চলে এসেছে। অপেক্ষা না করেই আমি দৌড়ে নিচে যাই। কতদিন তান্দুরি চিকেন খাইনা।
একজন কোচিং এ যেতে পারেনি ভাড়া নেই বলে। সারাদিন শুয়ে বসে আর ফোন ঘাটাঘাটি করেই দিন চলে যাচ্ছে আমাদের। মাসের সাতাশ তারিখ থেকে আমাদের এ অবস্থা। মাসের প্রথম কিংবা মাঝামাঝিতে আমরা সকালে ডিম-পরোটা,দুপুরে ভাত, বিকেলে ও কোন না কোন নাস্তা এবং মাঝে মাঝে মধ্যরাতেও চিপস আর মিরিন্ডা খাওয়া চলে।
অথচ, আমাদের লেদারের মানিব্যাগ গুলো চেয়ে আছে আমাদের দিকে। দুপুরে শুটকি দিয়ে কোন মতে ভাত গিলে সবাই ঘুমিয়ে পড়েছিলাম। সবার আগে উঠি আমি। উঠেই খুশিতে লাফিয়ে উঠি। আমার টাকা চলে এসেছে। অপেক্ষা না করেই আমি দৌড়ে নিচে যাই। কতদিন তান্দুরি চিকেন খাইনা।
এসি রেস্টুরেন্টে আমি পায়ের উপর পা তুলে অর্ডার করছিলাম। কেন জানি আগোছালো
মেসের মেঝেতে শুয়ে থাকা বাকি তিনটে বন্ধুর কথা মনে হলো। কাল অবধী আমিও জোর
করে সন্ধ্যা আটটা পর্যন্ত শুয়ে থাকতাম। উঠেই রাতের খাবার খেয়ে নিতাম। এতে
বিকেলের নাস্তার টাকাটা বেচে যেতো। আজ আমি রাজার মতো খাবো! অপরাধবোধ কাজ
করছিলো।
আমি রেস্টুরেন্ট থেকে বেরিয়ে যাই। চারটে কিমা পুরি,চারটে টিকা-পরোটা আর ওয়ানটাইম কফি নিয়ে বাসায় চলে আসি। আমাদের সবারই পেট পিঠ একসাথ হয়ে আছে। সাড়ে বারোটার দিকেই সবাই সকালের নাস্তা আর দুপুরের খাওয়ার হিসেবে একসাথে ভাত খেয়ে নিয়েছি । এরপর আর কেউ কিচ্ছু খাইনি। সবার মুখ ফ্যাকাশে হয়ে আছে।
আমি সবাইকে উঠিয়ে দিই। সবাই মিলে প্লেট ধুয়ে খাই। টানাটানি ছিলাছিলি করে খাই। আজ প্রায় তের বছর হয়ে চৌদ্দ বছরের কৌটায় পা দিয়েছে আমাদের বন্ধুত্ব। আমাদের বন্ধুত্ব ছিলো,আছে,থাকবে।
আমরা ঝগড়া করি। সকালে বাজার করা নিয়ে ভাগাভাগি করি। নিজের ফোনে ব্যালেন্স থাকা স্বত্বেও বন্ধুর ফোনে নেট ব্রাউজ করি। রাতে একটার গায়ের উপর আরেকটা পা তুলে দিই। গোসলের সময় আরেকজনের লুঙ্গি পরি, বের হবার সময় ভুলে যাই কোনটা কার শার্ট।
এতেই আমাদের বন্ধুত্ব। রক্তের সম্পর্কের উর্দ্ধে অসঙ্গায়িত আরেকটি সম্পর্ক!
আমি রেস্টুরেন্ট থেকে বেরিয়ে যাই। চারটে কিমা পুরি,চারটে টিকা-পরোটা আর ওয়ানটাইম কফি নিয়ে বাসায় চলে আসি। আমাদের সবারই পেট পিঠ একসাথ হয়ে আছে। সাড়ে বারোটার দিকেই সবাই সকালের নাস্তা আর দুপুরের খাওয়ার হিসেবে একসাথে ভাত খেয়ে নিয়েছি । এরপর আর কেউ কিচ্ছু খাইনি। সবার মুখ ফ্যাকাশে হয়ে আছে।
আমি সবাইকে উঠিয়ে দিই। সবাই মিলে প্লেট ধুয়ে খাই। টানাটানি ছিলাছিলি করে খাই। আজ প্রায় তের বছর হয়ে চৌদ্দ বছরের কৌটায় পা দিয়েছে আমাদের বন্ধুত্ব। আমাদের বন্ধুত্ব ছিলো,আছে,থাকবে।
আমরা ঝগড়া করি। সকালে বাজার করা নিয়ে ভাগাভাগি করি। নিজের ফোনে ব্যালেন্স থাকা স্বত্বেও বন্ধুর ফোনে নেট ব্রাউজ করি। রাতে একটার গায়ের উপর আরেকটা পা তুলে দিই। গোসলের সময় আরেকজনের লুঙ্গি পরি, বের হবার সময় ভুলে যাই কোনটা কার শার্ট।
এতেই আমাদের বন্ধুত্ব। রক্তের সম্পর্কের উর্দ্ধে অসঙ্গায়িত আরেকটি সম্পর্ক!
Comments
Post a Comment