Skip to main content

Posts

Showing posts from December, 2014

মন শুধু মন ছুঁয়েছ

ক্যামেরাঃ কর্ণার থেকে ক্লোজ হয়ে দরজা সহ বাইরের কিছু অংশ কভার করে স্থির হবে স্থানঃ ছোট্,সুন্দর ১টি শহরের কোন এক রেস্টুরেন্টের দ্বিতীয় তলা দর্শকঃ পাঠক ভিতরটা লাল,নীল আর হলুদ এই তিন রঙের আলোয় আলোকিত হয়ে আছে।আসলে এই তিন আলোর মিশ্রণে তৈরী নতুন একটা আলোয় আলোকিত,আবছাভাবে।ভিন্ন আলোর তরঙ্গদৈর্ঘের এই ভিন্নতা মনে হয়  চোখের ক্লান্তি ডেকে আনার ব্যাপারে বেশ পারদর্শী। সে কারনেই বুঝি কোনার টেবিলে বসা ছেলেটি রীতিমত হাই তুলেই চলেছে।অথচ পাঁচ মিনিট আগেই যখন এখানে এসে বসল বেশ তরতাজাই দেখাচ্ছিল।এরই মধ্যে ছেলেটার মধ্যে টাংগাইল- ময়মনসিংহের লোকাল বাসের একটা ভাব চলে এসেছে।ঢিমেতালে চলতে চলতে সুযোগ বুঝে একটু জিড়িয়ে নেয়া। কাঁচের ভিতর দিয়ে পিঙ্ক কালারের ড্রেস পড়া একটি মেয়েকে সরল ছন্দে হেটে এদিকেই এগিয়ে আসতে দেখা যাচ্ছে।পিঙ্ক রঙটা আসলে মেয়েরা কিনে নিয়েছে।ওদেরই মানায়,আর ওরাও মহাধুমধামের এবং সফলতার সাথে জীবনের সকল ক্ষেত্রে ব্যবহারও করে যাচ্ছে।পেন্সিল বক্স থেকে শুরু করে চুলের ক্লিপ,সর্বক্ষেত্রেই পিঙ্কের সফল বিচরণ।এটাকে আবার বাংলা গোলাপী নামেও ডাকা চলবে না।তাহলে নাকি রঙের সৌন...

এক বিকেলের চিঠি

(১) উড়ো পাতার মেঘের ভাজে পুরে, আমি একদিন কি ভেবে আমার গল্পগুলোকে পাঠিয়ে দিয়েছিলাম তার কাছে। গল্পগুলো ঠিক গল্প নয়, জানো তো... নিতান্তই দৈনন্দিন টুকিটাকি। এই তো সেদিন, আলগোছে পাতা উল্টিয়ে দেখি, এক কোণে লিখে রেখেছি সেদিনকার বাজার দর। কুচো চিংড়ি আধসের ১০০ টাকা! কুচো চিংড়ির দরদাম জেনে সে কি করবে এটা কিছুতেই মাথায় আসে নি! কি জানি কি সব আবোল তাবোল লিখি! তবে চিঠিগুলো কিন্তু তাকেই লেখা। এই যেমন ধরো বিকেল বেলায় অলস বিছানায় গা এলিয়ে বসে থাকতে থাকতে লিখে ফেলেছি দু'কলম! মাঝে মাঝে গভীর রাত্তিরে ঘুম ভেঙে চোখ কচলাতে কচলাতে লিখেছি, "আজকের চাঁদটা মারকুটে ধরণের সুন্দর!" তারপর ওই যে ঐ দিন, যেদিন সবাই দোর বেঁধে কোথায় যেনো গেলো! সেদিন লিখেছিলাম নিষিদ্ধ চিঠি। দুয়ার বন্ধ রেখে লুকোচুরি খেলার গল্প! পেছনের চিঠি আমার আবার উল্টেপাল্টে পড়ার অভ্যেস! মাঝে মাঝে নিজেই বুঝে উঠতে পারি না, হতচ্ছাড়া কথাগুলো কেন লিখেছিলাম, কি ভেবে এতো মান-অভিমান, উচ্ছ্বাস... মাঝে মাঝে ঝগড়া! সবটাই একপক্ষীয়, ছেলে মানুষী! আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নাটকের পার্ট মুখস্থ করার মতো। কেউ দেখছে না, জানছে না... পুরোটাই ন্য...

জীবনের গল্প যেখানে যেমন……

খুব সন্তপর্নে নোলকটা খুলে ফেলল পাখি। চোখের নদীটার বাঁধ ভেঙ্গে উপচে পড়ছে।বুকের মাঝে একটা অবর্ণনীয় কষ্ট, কষ্টটা বাসা বেঁধেছিল অনেকদিন হয় , আজ সেই বাসায় ঝড় উঠেছে। মানুষটা নাকি আর আসবেনা। এভাবেই চলে যায় মাত্র পাঁচ মাস আগেই তো বাবায় উনার হাতে তুলে দিল, কি সুন্দর করে বলছিলেন উনি আমি আপনার মেয়েরে দেখে রাখব , এটাকেই কি দেখে রাখা বলে? আচ্ছা উনি কি জানেন আমার ভিতরে এখন উনার একটা অংশ?কেমনে জানবেন, উনাকে ত বলার সময় টাও দেননি।আহারে , মানুষটা কি দুর্ভাগা জেনেও যেতে পারলেননা।আচ্ছা আসলে কে দুর্ভাগা মানুষটা নাকি সে নিজে? তিনমাস হয় মানুষটা নাই হয়ে গেছে , কেউ কোনও খোঁজ ও দিতে পারলনা। আর কত দিন এরকম একা থাকতে হবে? উনি নাকি সত্যি আর আসবেননা, বিধবাদের নাকি নাক খালি রাখতে হয় , এত তাড়াতাড়ি পাখি কখনই চায়নি মেনে নিতে কিন্তু আজ সবাই বলে গেল সে নাকি উনার অমঙ্গল ডেকে আনছে। এরপর আর তার সাহস হয়নাই নোলক পরে থাকার। এরপরে আর অনেকগুলো মাস গেলো।নাহ উনি ফিরে এলেননা । আসলে যারা একবার যারা যায়, তারা আর ফিরে আসেনা। কিন্তু উনার কি অইদিন যাওয়ার আসলেই খুব দরকার ছিল? টাকা পয়সার টানাটানি সারা জীবন ই থাকবে...

তোমাকে ঠিক চেয়ে নেব

*** ১ . খুব মেঘ করে বৃষ্টি নামার আগে রাতের আকাশ যখন অফুরন্ত উল্লাসে নিজেকে লালচে রঙ্গে সাজায়, তখন মাঝেমাঝে আমার মনে অদ্ভুত একটি ইচ্ছে জেগে উঠে । বোকা বোকা একটি ইচ্ছে , কিন্তু আমার কাছে এই ইচ্ছেটি ভীষণ প্রিয় । রাতের মেঘলা আকাশ দেখলে আমার কেন যেন নির্জন একটি দ্বীপ কিনে ফেলতে ইচ্ছে করে । ইচ্ছেমত সবুজ আর নীলচে রঙ করা সেই দ্বীপটিতে শুধু আমার একলা রাজত্ব হবে । আমার অনেকদিনের ইচ্ছে , মাঝরাতের আকাশ ভেঙ্গে সেখানে যখন ঝুম বৃষ্টি নামবে , সেই বৃষ্টিতে আমি তখন দুরন্ত নদীর মত উল্লাসে মেতে উঠব । সেই বৃষ্টির আনন্দ থেকে বঞ্চিত করবার জন্যে কোন শাসনের জাল আমাকে বাঁধতে আসবেনা । আমার একলা দ্বীপে কেবল আমার মুগ্ধতায় মাখা বৃষ্টি বিলাস হবে । আর আমার সামনে থাকা ছোট্ট সমুদ্রতটে অবিরাম দুলতে থাকবে রঙ্গিন কোন পানসি , হতে পারে সেটি অনেক দুরের কোন দ্বীপাঞ্চল থেকে ভেসে এসেছে , হতে পারে সেটি কোন খেয়ালি রাজপুত্রের বিলাসী ভ্রমণসঙ্গী । হয়ত সেই পানসিতে উদাস নয়নে বসে থাকবে সেই ভীষণ সাহসী বৃষ্টিমুগ্ধ রাজপুত্র । আর উন্মত্ত বৃষ্টিতে দাঁড়িয়ে থেকে আমি দেখব সেই রাজপুত্রের চুলের সাথে বাতাসের যুদ্ধ , বৃষ্টির ছিটেত...

শুধুই স্বপ্ন...আর ভালবাসা

অভ্রের সাথে আমার যখন বিয়েটা হয়, বুঝতেই পারিনি কি হতে যাচ্ছে। খুব হঠাৎ করে আর খুবই সাধারণভাবে আমাদের বিয়েটা হয়ে গেল। সাধারণ বলতে আসলে অনুষ্ঠানটার কথা বলতে চাচ্ছিনা, অনুষ্ঠান একটা হয়েছে মাশাল্লাহ, কিছুরই অভাব ছিল না। বলছিলাম পুরো প্রক্রিয়াটার কথা । কোথায় কেউ এসে আমাকে একটু খোঁচা দেবে..." আপু, বরটা তো সে রকম পেয়েছেন"।অথবা বিয়ের পর কি কি হবে সেসব নিয়ে দু'একটা কথা বলতে ছাড়বে না, এমন কিছুই হয়নি। বিয়ের আগে থেকে শেষ পর্যন্ত এমন একটা ভাব ছিল সবার, সব গরজ মিথিলার, ওর বর কেমন হবে তা নিয়ে আমাদের মাথাব্যথা করে ফাটিয়ে ফেলার কি দরকারটা শুনি!  খুবই হতাশার সাথে বিয়ের দিন লক্ষ করলাম, পাশে বসা ছেলেটাকে আমি বিন্দুমাত্র চিনি না। নামটাই জানি শুধু, একবার যে ডিজিটাল যুগে ফোন করে একটু কথাটথা বলে নিব সেই কাজটাও করিনি। আমার বান্ধবীরা সব প্রেম করে বিয়ে করছে, বিয়ের দিন জামাইয়ের সাথে ঢলে ঢলে ছবি তুলছে,তাদের সে কি হাসি!  মাঝে মাঝে আমরা শালীরাও ঢলে ঢলে ছবি তুলেছি...... আর আমার ক্ষেত্রে! একবার অভ্র আমাকে দেখতে আসল , আর একবার অভ্রের হাতে আংটি পরিয়ে ...

সোনা বউ

মিমি আমার হাতটা ওর মুঠোর মধ্যে ধরে রাখে ... আমার দুচোখ বেয়ে জলের ধারা গড়াচ্ছে, কিছুতেই থামাতে পারছিনা আমি। ইন্টেনসিভ কেয়ার ইউনিটের সাদা বিছানার চাঁদর চোখের জলে ভিজে যাচ্ছে। আমার খুব ইচ্ছে করছে এখান থেকে ছুটে পালিয়ে যাবার। আমি সহ্য করতে পারছি না কিছুতেই। একেবারেই সহ্য করতে পারছিনা এই পরিস্থিতি। মিমি তাই আমার হাত ধরে আছে। - আমাকে ছেড়ে যেওনা তুমি, প্লিজ। আ মার ভয় করে। আমার খুব ইচ্ছে করছে ওকে জড়িয়ে ধরে কাঁদি। ছেলে মানুষের কান্নাটা ফুরিয়ে যায় সেই ছোটবেলাতেই। এর পর ছেলেরা আর কাঁদে না, কাঁদতে পারেনা, অথবা কাঁদতে হয় না। পুরুষ মানুষ হবে পাথরের মত। শত আঘাতেও থাকবে স্থির। আমিও তো এমনই ছিলাম। আবেগ জিনিসটাকে প্রশ্রয় দেইনি কখনও। কিন্তু আজ আমার ভেতরের পাথর চাঁপা আবেগ গলে গিয়ে অগ্নিগিরির লাভার স্রোতের মত আমার চোখের কোণ পুড়িয়ে দিয়ে নেমে আসছে বিছানায়। - দেখো, তুমি এমন করে ভেঙ্গে পড়লে চলবে? বাবুটাকে দেখবে কে বলো? আমাদের একটাই বাবু, ছোট্ট, এত্তটুকু। গলা ধরে আসে মিমির। আমি আর পারি না, ঝটকা দিয়ে মিমির হাত ছাড়িয়ে নেই। দরজা পর্যন্ত গিয়ে থমকে দাঁড়াই। না, বাবুকে এখানে আনা যাবে না। আমাদ...

লাভ এট নার্ভাস নাইনটিজ

০৯-০৩-২০০৬ “অনিক ভাই, এই অনিক ভাই শুনছেন? আজব তো! কি হলো আরে এই ভাইয়া” কত ডাকলাম। নতুন কিছুনা আজো অনিক ভাই যথারীতি শুনেও না শোনার ভান করে চলে গেলো, কেমনটা লাগে? এসব নাটকের কোনো মানে হয়? এত করে ডাকছি,খুব বুঝতে পারছি শুনছে,কিন্তু কোনো উত্তর দিবেনা। সেই কবে,ক্লাস এইটে যখন প্রথম সিলেট আসলাম,আমার কোনো বন্ধুই ছিলনা, দাদাটাও সারাদিন আমার পেছনে লেগে থাকতো। আরিফ ভাই, রাঙ্গাদা, তোতনদি, আশিক ভাই সবাই আমাকে পচাত খুব, দেখলেই শুরু হত “এই যে খুকুমনি, বাবু” আরো কত কি। অনিক ভাই শুধু কেনো যেন চুপ হয়ে যেত আমাকে দেখলে। উফ আমি এত বোকা নিজের ডাইরীতে নিজের মানুষটাকে কেমন ভাই ভাই করছি! ও কোনদিন ভাই ছিলো নাকি আমার? হা হা হা! অনিকের একটা কথা শোনার জন্য কত ঘন্টার ঘন্টা কান পেতে রেখেছি দাদাদের আড্ডায়, স্কুল ফেলে ছুটে গেছি অনিকের প্র্যাকটিস দেখতে। কতরাত জেগেছি অনিকের পায়ে ব্যথা শুনে। আর অনিক? এটা কি লেখা লাগেৃ  ১২-০৩-২০০৬ বাবার গায়ে বেশ জ্বর,কোনো কারণ নেই। বাবার মন খারাপ। আর আমার মেজাজ ভয়ঙ্কর খারাপ। অনিককে হাতের কাছে পেলে চুল ছিড়ে দিতাম, মানুষ এত স্টুপিড কিভাবে হয়? শুধু কি ম্যাচ ...

একটি সাদামাটা প্রেমের গল্প

গল্পের শুরুটা সাধারণ। একসাথে পড়তাম ২জন।আলাদা ব্যাচ,প্রথম দেখা কলেজে,মিড টার্ম পরীক্ষার সময়।তার পর কথা শুরু।প্রথমে অল্প,আস্তে আস্তে বাড়ল। একদিন ফোন নাম্বারটাও পেলাম।তখন কথা হত পড়াশোনা নিয়ে,আমার অগোছালো ছাত্রজীবন আর তার সুন্দর ভবিষ্যতের স্বপ্ন।সে আমার সাথে মিশত শুধুই সাজেশানের জন্য।কিন্তু অন্য ছেলেদের সে যেমন ভাব দেখাত আমার সাথে ওই আচরণ পাইনি বলেই হয়ত ওর প্রতি আমার একটা মায়া ছিল।প্রেম তখনও অনেক দূর। HSC পরীক্ষা দেয়ার পর ও চলে গেল শহর ছেড়ে, আর আমি রয়ে গেলাম , তখনও কথা হত ফোনে,প্রায়ই আমার উদ্ভট গল্প শুনে ও খিলখিল করে হাসত,আমার বুকে অন্য রকম একটা অনুভূতি হত।বুঝলাম তাকে আমার ভাল লাগে,কিন্তু সে একদিন বলে যে তার কাউকে ভাল লাগে।খুব খারাপ লাগল,কেন নিজেই জানিনা।রেজাল্ট হবার পর হল আসল মজা,ওর রেজাল্ট খারাপ হয়ে গেল,ও প্রায় রাতে কাদত,আমি সান্তনা দিতাম,খুব খারাপ লাগত ওর কান্না শুনে।কিবা আর করতে পারি তখন,তাকে বলতাম সব ঠিক হয়ে যাবে। তারপর থেকে আমার সাথে সম্পর্ক টা আরও গাঢ় হল,কিন্তু তাকে বলতে পারতাম না ভালবাসার কথা,পাছে হারাতে হয় প্রিয় বন্ধুটাকে।তাই দূর থেকে ভালবাসতাম।ভর্তি পরীক্ষার...

আকিবের বিয়ে অথবা রংধনুর পাঁচ রঙ

আকিবের বিয়েটায় মজা হয়েছিলো জম্পেশ। তুহিনের তো মদ্যপ হয়ে ,প্লেন কিভাবে ওড়ে আজও সে কথা নিয়ে আমরা হাসাহাসি করি।আকিব আমার চাচাতো ভাই, একই বয়সী, ১ বছর হল বিয়ে করলো। আকিবের বিয়ের কিছু মজার কাহিনিঃ ১। কমিউনিটি সেন্টারে বিয়ে, নামকরা সেন্টার, কিন্তু কোন এক অজ্ঞাত কারনে কমিউনিটি সেন্টারে সে দিন বিদ্যুৎ সরাবরাহের কোন ব্যবস্থা করা যায়নি , জটিল বিদ্যুৎ বিপর্যয়ের কারনে। অবশেষে বিয়ে আর খাওয়া দুটোই হলো মোবাইলের আলোতে ২। কাজী সাহেব বিয়ে পড়ানোর সময় পাত্রের বাবার নামের জায়গায়, বারবার বলছেন ছাত্রের বাবা ৩।ওই বিয়েতেই আমি টগর কে দেখেছিলাম প্রথম, পাত্রির মামাতো বোন, লোক মারফত জানলাম, না টগর, মেডিকেলের স্টুডেন্ট, খুব দেমাগি, ইত্যাদি ইত্যাদি। কিন্তু আমার কাছে টগর কে মনে হচ্ছিলো, একটা সত্যিকারে টগর।। জানেন ওর খুব মায়া। প্রেম করতে অনেক কষ্ট হয়েছিলো, আমাকে ভালবেসে চলেছে অনেক। ৪।ওই বিয়েতে পাত্রির বাবা মাইল্ড স্ট্রোক করলো দুই বার, মেয়ের বিয়ের দুঃখের জন্য না! গরমে ৫। টগর আর আমি এখন একসাথে থাকছি, মানে ৪ মাস আগে আমাদের বিয়ে হয়েছে।ও এখন কি করছে জানেন? আমার হুইল চেয়ারটা ঝাড়পোছ করছে,তিন বছর এটা...

যে কারণে ভালো ছেলেরা প্রেমিকা পায় না

ছেলেটি খুব ভালো। নম্র-ভদ্র স্বভাবের, কারো সাথে খারাপ ব্যবহার করে না, লেখাপড়ায়ও ভালো। অন্যদিকে ক্যারিয়ার সচেতন, মা-বাবার খেয়াল রাখে, সমাজে সকলেই তাঁদেরকে ভালো ছেলে হিসাবে জানে। একটু লক্ষ্য করলেই দেখবেন যে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এই ভালো ছেলেগুলোর প্রেমিকা হয় না। বা প্রেমিকা হলেও সম্পর্ক স্থায়ী হয় না। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই মন ভাঙার যন্ত্রণা ছেলেটি একা বহন করে বেড়ায়। কেন হয় এমন? সেই প্রশ্নের জবাব রইলো এই ফিচারে। ১. গায়ে পড়া স্বভাব নেই ভালো ছেলেরা শুধু মেয়ে কেন, কারো সাথেই গায়ে পড়ে আলাপ করতে পারেন না। এমনকি কেউ আলাপ করতে এলেও অনেকেই নিজের মাঝে গুটিয়ে থাকেন। ফলে তাঁদের পরিচিত মানুষের পরিধি হয় অনেক কম। আর মেয়েদের সাথে পরিচয়ও হয় কম। ২.তারা ছলকলা বোঝে না প্রেম করতে ও কোন মেয়েকে প্রেমে ফেলতে গেলে একটু কৌশল, একটু ছলকলা জানতেই হয়। বলাই বাহুল্য যে ভালো ছেলেরা এসব থেকে একশ হাত দূরে থাকেন এবং এগুলো বোঝেনও না। প্রেমের সপ্ত ছলকলা এদের রপ্তের বাইরেই থেকে যায়। ৩.ভালো ছেলেরা "বোরিং" হয় মেয়েদের একটা চিরকালের আগ্রহ আছে একটু খারাপ ছেলেদের প্রতি। তাঁদের প্রেমিকা হওয়াকে মেয়েদের কাছে একটা চ্যালেঞ্জ মনে হয়।...

"অপ্রকাশিত ভালোবাসা"

কোন এক বসন্তের প্রাণবন্ত সকাল। অনির্দিষ্টের মতো ছেলেটা একটা শপিং কমপ্লেক্সের ভিতর এদিক-সেদিক ঘোরাঘুরি করতে থাকে। একসময় তার চোখ পড়ে যায় একটা CD-স্টোরের কাউন্টারে দাঁড়ানো খুব সুন্দর একটা মেয়ের দিকে। মেয়ের হাসিটা ছিল অপূর্ব রকমের সুন্দর , ছেলেটা প্রথম দেখায় মেয়েটার প্রেমে পড়ে যায়। এটাই মনে হয়, Love At First Sight. ছেলেটা সামনে এগিয়ে একটা CD নিয়ে মেয়েটার দিকে বাড়িয়ে দেয়। ছেলেটা: "আমি এই CD-টা কিনতে চাচ্ছিলাম।" মেয়েটা: (হাসিমুখে) "তুমি চাইলে আমি এটা তোমার জন্য সুন্দর দেখে একটা প্যাকেটে Wrapping করে দিতে পারি।" ছেলেটা মাথা নিচু করে সম্মতি জানায়। মেয়েটা কিছুক্ষনের মধ্যে শপ-এর ভিতর থেকে CD-টা Wrapping করে নিয়ে আসে। ছেলেটা CD-টা নিয়ে বাসায় চলে যায়। এরপর থেকে ছেলেটা প্রতিদিন CD-শপে এসে একটা করে CD কিনতে থাকে। মেয়েটা আগের মতোই তা Wrapping করে দেয়। ছেলেটা Wrapping করা CD নিয়ে গিয়ে বাসায় তার সেল্ফ-এ রেখে দেয়। ছেলেটা অনেক চেষ্টা করে মেয়েটাকে তার ভালোলাগার কথা বলার, কিন্তু তা বলতে পারে না। ছেলেটার মা একসময় বিষয়টা জানতে পারে। তখন তিনি তার ছেলেকে পরামর্শ দেন সাহস করে মুখ...

একটা ছেলে আর একটা মেয়ে দু'জন দু'জনকে খুব ভালবাসে..

একটা ছেলে আর একটা মেয়ে দু'জন দু'জনকে খুব ভালবাসে..।দুজনের পরিবারের মাঝে তাদের ভালবাসার কথা জেনে যায় । তারপর মেয়ের পরিবারের লোকজনেরা মেয়েটার বিয়ে দেওয়ার জন্য ওঠে পড়ে লেগে যায় । মেয়েটা বিষয়টা অনুভব করতে পেরে একদিন গভীর রাতে ফোন কল করল । - মেয়েঃ হ্যালো (ফিসফিসিয়ে) - ছেলেঃ কি হল এত রাতে আবার! - মেয়েঃ কয়টা কল দিছি দেখছ ? - ছেলেঃ হুমমমম..,, 53 টা !! সরি জানু আমি ঘুমাই গেছিলাম। উম্মাহ্.. I LOVE U জানু (সিম্পলি একটা হাসি) - মেয়েঃ হুমমম (হাসি দিয়ে)... হইছে আর ঢং করতে হবে না ! শুন তোমাকে কিছু সিদ্ধান্ত নিতে হবে আগামী 1ঘন্টার মধ্যে ? - ছেলেঃ কি সিদ্ধান্ত ? - মেয়েঃ আমাদের সম্পর্কের ব্যাপারে ! - ছেলেঃ আচ্ছা আগে বলবে তো শুনি। - মেয়েঃ আমার ঘরের মানুষেরা আমার জন্য বিয়ে দেখছে ! তুমি জান তো তোমাকে ছাড়া আমার বেঁচে থাকতে পারব না । - ছেলেঃ আরে পাগলী কাঁদছ কেন ? আমি তো তোমাকে কখনোই আমার থেকে দূরে যেতে দিব না। আচ্ছা তাহলে তুমিই বল কি করব ? - মেয়েঃ চল আমরা বিয়ে করেফেলি ! প্রথমে সবাই একটু রাগকরলেও পরে ঠিক হয়ে যাবে । কি বল ? - ছেলেঃ হুমমম... বুঝলাম ! কিন্তু আমি তো ...

ভালবাসার কথা জানাবে।

একটা ছেলে একটা মেয়েকে অ ভালবাসতো, মেয়েটা খুব সুন্দরী ছিল না কিন্তু ঐ ছেলেটির জন্য মেয়েটিই ছিল সব।ছেলেটি স্বপ্ন দেখতো মেয়েটির সাথে তার বাকি জীবন কাটানোর। তার বন্ধুরা একদিন তাকে বললো, “তুমি যে মেয়েটিকে এত ভালবাস, কখনো কি তাকে বলেছ? মেয়েটি তো জানেও না যে তুমি তাকে নিয়ে এত স্বপ্ন দেখ। প্রথমে তাকে সবকিছু বল, তারপর তার কাছ থেকে শুন যে সেও তোমাকে ভালবাসে কিনা”। ছেলেটি ঠিক করলো, সে মেয়েটিকে তার ভালবাসার কথা জানাবে। মেয়েটি শুরু থেকেই জানতো যে ছেলেটি তাকে ভাল যখন ছেলেটি মেয়েটিকে প্রপোজ করল, তখন মেয়েটি না করে দিল। ছেলেটির বন্ধুরা ভাবলো ছেলেটি এবার হয়তো ড্রাগ, অ্যালকোহল নেয়া শুরু করবে এবং নিজের জীবনটাকে ধ্বংস করবে। কিন্তু তারা অবাক হল যখন ছেলেটি এসবের কিছুই করল না। ছেলেটি বললো, “আমার কেন খারাপ লাগবে? আমি এমন একজনকে হারিয়েছি যে কখন আমাকে ভালবাসেনি আর সে এমন একজনকে হারিয়েছে যে সত্যি তাকে অনেক ভালবাসতো”। প্রতিটি মানুষের জীবন মূল্যবান, একে হেলায় কিংবা কোন ফালতু কারনে নষ্ট করে ফেলবেন না।

বৃষ্টির মাঝে এক ফোঁটা বিশ্বাস

লাস করে বের হবো মাত্র এমন সময়ে ঝুম বৃষ্টি নামলো । সকালে ঘুম থেকে উঠেই দেখি আকাশ প্রচণ্ড কালো । মাঝে মাঝে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হচ্ছে । আবার থেমে যাচ্ছে ।এমন দিনে সকাল আটটা বাজে সজীব স্যার এর ক্লাস । সামান্য দেরী হলেই পারসেন্টিস দেয় না । তাই তাড়াহুড়ো করে ছাতিটা আনতেই ভুলে গেছি । আমরা যারা ছাতি আনিনি তাদের মধ্যে দু গ্রুপ তৈরি হলো । দাঁড়িয়ে থাকা গ্রুপ আর স্বেচ্ছায় বৃষ্টির হাতে আত্মসমর্পণ গ্রুপ । পরের গ্রুপটিতে দু তিনজন ছাড়া আর কেউ আগ্রহ দেখালোনা । অনেকে মাথার উপরে ব্যাগ দিয়ে দৌড়ে চলে যাচ্ছে । আমি ধীরে ধীরে বৃষ্টির মধ্যেই হাটা শুরু করলাম । সরাসরি হলে যাবো নাকি ক্যাফেটেরিয়ায় যাব ভাবছি । অবশেষে সিদ্ধান্ত নিলাম ক্যাফেটেরিয়া থেকে এক কাপ গরম কফি খেয়ে যাবো । ক্যাফেটেরিয়ায় তেমন মানুষ জন নেই । পিছনের দিকে এক জোড়া কাপল ল্যাপটপে সম্ভবত কিছু দেখছে । আর একজন জানালার পাশে বসে বৃষ্টি দেখছে শিঙাড়ার শেষ অংশটুকু হাতে ধরে । আমি কফির অর্ডার দিয়ে বসে আছি । পকেট থেকে মোবাইলটা বের করে ফেইসবুকে লগইন করলাম । না কেউ ম্যাসেজ দেয় নি । দুই একটা নোটিফিকেশন চেক করলাম । হোম পেইজে নতুন...

করুণ কাহিনী

একটা ছেলে একটা মেয়েকে মনেমনে ভালবাসত। একটা সময় পর্যন্ত অপেক্ষা করে এক সময় মেয়েটিকে নিজের ভালবাসার কথা জানাল। মেয়েটি কিছু না বলে চলে গেল । সে মনে মনে ভাবল... দেখি একটু পরীক্ষা করে কেমনএই ভালবাসা। ফলশ্রুতিতে শুরু হল ছেলেটিকে কষ্ট দেওয়া । কখনো কড়া কথা বলে, কখনো বাজে ব্যবহার করে, কখনো অবহেলা করে, যখন যা ইচ্ছা করে ও শেষ পর্যন্ত দেখল ছেলেটি এখনো তাকেই ভালবাসে । এবার বুঝল, নাহ এই ছেলেটি তাকে আসলেই চায় । কিন্তু এরপরে ও নিজের মনের অজান্তের অহমিকা বোধটা হঠাৎ জেগে উঠে । মনে হয় এমন কত ছেলেই তো আমার জন্য পাগল । কি দরকার ঝামেলা মাথায় নিয়ে । শুধু শুধু একজনের সাথে এনগেইজ হলে বাকিদের মন রাখবে কে?? এদিকে সবার অজান্তে কষ্টে এক প্রকার উম্মাদ হয়ে এক সময় ছেলেটা ভেতরে ভেতরে শেষ হয়ে গেল। এরপরে অনেকদিন কেটে গেল। এর মধ্যে বহুজনের কাছ থেকে পাওয়া প্রস্তাব যাচাই করে দেখল আসলেই ঐ একজনের সাথে কারোই তুলনা হচ্ছে না । এবার মেয়েটি একটি কাগজে সুন্দর করে লিখল, "কেউ যদি খুব সহজে সত্যিকার ভালবাসা পায় তাহলে সেটা সে মূল্যায়ন করতে পারে না। তোমাকে কষ্ট দিয়ে তাই সেভাবেই তৈরী করে নিলাম। কি...

ছেলেটি খুব ভালোবাসত মেয়েটিকে

ছেলেটি খুব ভালোবাসত মেয়েটিকে। একদিন তাদের খুব ঝগড়া হয়, মেয়েটি অনেক বার ক্ষমা চাইতে আসে।। কিন্তু ছেলেটি ফিরিয়ে দেয়।। ছেলেটিও কিন্তু মেয়েটির জন্য গোপনে কান্না করত... কিছু দিন হল মেয়েটি আর আসে না ছেলেটির কাছে... একদিন ছেলেটির রাগ ভাংলো... ওই দিন সে নিজে গেল মেয়েটির সাথে দেখা করতে কিন্তু সে জানতে পারে একটি দুর্ঘটনায় মেয়েটি মারা যায়! ছেলেটি খুব কষ্ট পায়... সে দিন রাতঅবিরাম কেঁদে যায়... সবাই তাকে সান্ত্বনা দেয়... কিন্তু কেউ তার কান্না থামাতে পারেনা! একদিন স্বপ্নে ছেলেটি দেখে, তার সেই প্রিয়তমা সমবয়সী অনেক মেয়ের সাথে স্বর্গে আছে... সেটা দেখে সে খুব খুশি হয়... কিন্তু সে এটা দেখে অবাক হয় সবারহাতে একটা জ্বলন্ত মোমবাতি আছে... কিন্তু তার প্রিয়তমার হাতের মোমবাতিটি নেভানো!! ছেলেটি তাকে জিজ্ঞেস করে, “তোমার মোমবাতি নেভানো কেন?” মেয়েটি উত্তর দিলো, “আমি যখনই মোমবাতিটি জ্বালাতে যাই, তখনি তোমার চোখের জল এটি নিভিয়ে দেয়... প্লীজ, আর কেঁদো না .... মৃত্যুর পরও আমি তোমাকেই ভালবাসিআর সারা জীবন বাসব....

যেখানেই ভালবাসা থাকে,সেখানেই সম্পদ ও সাফল্যও থাকে।

এক মহিলা তার বাড়ি থেকে বেরিয়ে দেখলো উঠানের সামনে তিনজন বৃদ্ধ ব্যক্তি বসে আছেন। তিনি তাদের কাউকেই চিনতে পারলেন না। তাই বললেন, ‘আমি আপনাদের কাউকেই চিনতে পারলাম না,কিন্তু আপনারা হয়তো ক্ষুধার্ত। আপনারা ভেতরে আসুন,আমি আপনাদের খাওয়ার ব্যবস্থা করছি।‘ তারা জিজ্ঞেস করলেন ‘ বাড়ির কর্তা কি আছেন?’ মহিলা বললেন,’না’। ‘তিনি বাইরে গেছেন।’ ‘তাহলে আমরা আসতে পারবো না।‘ সন্ধ্যায় যখন বাড়ির কর্তা ঘরে ফিরে সব শুনলেন তখন তিনি বললেন,'যাও তাদের বলো যে আমি ফিরেছি এবং তাদের ঘরে আসার জন্যে অভ্যর্থনা জানাচ্ছি।‘ মহিলা বাইরে গেলেন এবং তাদের ভেতরে আসতে বললেন।কিন্তু তারা বললো,‘আমরা এভাবে যেতে পারি না।' মহিলা জিজ্ঞেস করলেন,’ কিন্তু কেন? আবার কি সমস্যা?’ বৃদ্ধ লোকেদের মধ্যে একজন বললেন,’আমাদের মধ্যে একজনের নাম সম্পদ।‘ আরেকজনের দিকে নির্দেশ করে বললেন,’তার নাম সাফল্য এবং আমি ভালবাসা।এখন আপনি ভেতরে গিয়ে সিদ্ধান্ত নিন আমাদের কাকে আপনি ভেতরে ঢুকতে দেবেন।' মহিলা যখন ভেতরে গিয়ে সব খুলে বললেন তখন তার স্বামী অত্যন্ত খুশি হয়ে গেলেন এবং বললেন,'আসাধারন! চল আমরা সম্পদকে ডাকি,তাহলে আমর...

পৃথিবীর এক প্রান্তে এক দ্বীপ ছিলো

পৃথিবীর এক প্রান্তে এক দ্বীপ ছিলো। দ্বীপ বলেই তার চারদিকে ছিলো শুধু সাগরআর সেই সাগরের পানি। সেই দ্বীপে সব রকমের অ্যাবসট্রাক্ট বিষয় পাশাপাশি বাস করতো, যেমন- 'সুখ', 'দুঃখ', 'প্রাচুর্য', 'জ্ঞান', 'সৌন্দর্য', 'ভালোবাসা' ........ ইত্যাদি। একদিন তারা সবাই 'জ্ঞান'-এর কাছে জানতে পারলো যে, এই দ্বীপ খুব দ্রুত পানির নিচে ডুবে যাবে। সবাই যার যার নৌকা নিয়ে চলে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে দ্বীপ ছেড়ে। শুধুমাত্র 'ভালোবাসা' দ্বীপে থেকে যেতে চায় শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত। যখন সাগরের পানির নিচে দ্বীপটি প্রায় ডুবে যাচ্ছে তখন 'ভালোবাসা' সিদ্ধান্ত নিলো তাকে এই পৃথিবীতে বেঁচে থাকার জন্য এখনই দ্বীপ ছেড়ে চলে যেতে হবে। সে তখন আশেপাশে সাহায্যের জন্য অন্যদেরকে খুঁজতে লাগলো। এমন সময় 'ভালোবাসা' দেখতে পেলো যে, 'প্রাচুর্য' তার নৌকা নিয়ে যাচ্ছে। 'ভালোবাসা' তখন 'প্রাচুর্য'-কে বললো, "তুমি কি আমাকে তোমার নৌকায় একটু আশ্রয় দিবে?" 'প্রাচুর্য' উত্তর দিলো, "সরি, আমার নৌকা সোনা- র...

Valobashar Golpo

রিকশায় উঠে চলে যাচ্ছিলো সে। ফোনের দিকে তাকালাম। নিয়ম হয়ে গেছে যে যাওয়ার সময় ফোন দেবেই সে। সামনে বসে যত ঘন্টাই কথা হোক না কেন রিকশা উঠে ওর মনে পড়েই যাবে কি কি বাকি রয়ে গেছে। তাই ফোন দিয়ে সেগুলো বলে যাবে অনর্গল। ফোন বাজছে কিন্তু ধরলাম না। চলে যেতে থাকা রিকশার দিকে তাকিয়ে আছি। হুডের পেছন দিকে সামান্য ফাঁক থাকে রিকশায়। ওদিক দিয়েই পেছন ফিরে তাকালো। চোখে প্রশ্ন কেন ধরছি না ফোন। উত্তর দিলাম আর অপেক্ষা নয়। ধরলাম কল। কি ব্যাপার কল ধরো না কেন? তোমাকে আর একটু দেখতে ইচ্ছে হলো তাই। মানে? আবার কিভাবে দেখবা? এই যে পেছন ফিরে তাকালে? তা তো তুমি ফোন ধরছো না দেখে তাই। জানতাম তো। না ধরলেই তাকাবে। তখন একটু দেখবো। ইস! কি ফাজিল! এতো দেখেও মন ভরে না। আসলেই ওকে বারবার দেখতে ইচ্ছে করে। আমার কি দোষ! আগে তো কখনো এমন হয় নি। ইদানিং হচ্ছে আর খুব বেশি হচ্ছে। আমার জেদ আকাশ ছোঁয়া। যা ভাববো তাই করবো। যা চাইবো তা নিয়েই ছাড়বো। আমি যখন ভাবি যে কোনো মানুষের সাথে আর কথা বলবো না। আর সত্যি বলি না। যখন কাউকে ভুলে যেতে চাই সত্যি ভুলে যাই। ছাপ পড়ে না তাদের থাকা না থাকাতে। ছোট ছোট অনেক ঝগড়...