ক্যামেরাঃ কর্ণার থেকে ক্লোজ হয়ে দরজা সহ বাইরের কিছু অংশ কভার করে স্থির হবে স্থানঃ ছোট্,সুন্দর ১টি শহরের কোন এক রেস্টুরেন্টের দ্বিতীয় তলা দর্শকঃ পাঠক ভিতরটা লাল,নীল আর হলুদ এই তিন রঙের আলোয় আলোকিত হয়ে আছে।আসলে এই তিন আলোর মিশ্রণে তৈরী নতুন একটা আলোয় আলোকিত,আবছাভাবে।ভিন্ন আলোর তরঙ্গদৈর্ঘের এই ভিন্নতা মনে হয় চোখের ক্লান্তি ডেকে আনার ব্যাপারে বেশ পারদর্শী। সে কারনেই বুঝি কোনার টেবিলে বসা ছেলেটি রীতিমত হাই তুলেই চলেছে।অথচ পাঁচ মিনিট আগেই যখন এখানে এসে বসল বেশ তরতাজাই দেখাচ্ছিল।এরই মধ্যে ছেলেটার মধ্যে টাংগাইল- ময়মনসিংহের লোকাল বাসের একটা ভাব চলে এসেছে।ঢিমেতালে চলতে চলতে সুযোগ বুঝে একটু জিড়িয়ে নেয়া। কাঁচের ভিতর দিয়ে পিঙ্ক কালারের ড্রেস পড়া একটি মেয়েকে সরল ছন্দে হেটে এদিকেই এগিয়ে আসতে দেখা যাচ্ছে।পিঙ্ক রঙটা আসলে মেয়েরা কিনে নিয়েছে।ওদেরই মানায়,আর ওরাও মহাধুমধামের এবং সফলতার সাথে জীবনের সকল ক্ষেত্রে ব্যবহারও করে যাচ্ছে।পেন্সিল বক্স থেকে শুরু করে চুলের ক্লিপ,সর্বক্ষেত্রেই পিঙ্কের সফল বিচরণ।এটাকে আবার বাংলা গোলাপী নামেও ডাকা চলবে না।তাহলে নাকি রঙের সৌন...