Skip to main content

ভালোবাসার হাতছানি (ফেসবুকের প্রেম)

অনেক কষ্টে ফেসবুকে মন বসালাম , কিন্তু তাও আবার একটা ফেক আইডি (Sarika Sultana) । সারাদিন Mig33 আর সাইট বানানোর কাজেই ব্যস্ত থাকা হয় । ফেসবুকে এখনকার মত তখন এত্তো ফিচার ছিল না । তাই Mig33 তে মজা পেতাম , আর সেখানে সময় দিতাম ।

ফেইক আইডিটা খুলেছিলাম আমার মোবাইল সাইটটা প্রোমোট করার জন্য । আমার সাইট ছিল এসএমএস সাইট । তাই সাইট থেকে মাঝে মাঝে সুন্দর সুন্দর এসএমএস কপি করে দিতাম ফেসবুক স্ট্যাটাস , সাথে সাইটের নাম । তাতে সাইটের বিজ্ঞাপন হত ফ্রিতে ।

ফেসবুকের স্ট্যাটাস এসএমএস গুলো দেখে আমার ফ্যান হয়ে গেল এক মেয়ে । সারা দিন ম্যাসেজ করত , হ্যালো আপু , হায় আপু । কি করব ভাবতে ভাবতে বলে ফেললাম "আমি ফেসবুকে চাট করার সময় পাই না, নাম্বারটা দিয়ে রাখ পরে কল দিব " । আমাকে বিশ্বাস করে নাম্বারটা দিল ।

নাম্বারটা পেয়ে সাথে সাথে কল দিলাম । কল রিসিভ করতেই হেভি একটা ভয়েস আসল, আমি পুরাই থ । আরে আমিও কম যাই কিসে, আমার ভয়েস ও কিন্তু কম নয় । জিজ্ঞেস করল আমি কে , ব্যাপারটা খুলে বল্লাম । মেয়ে আমার উপর ক্ষেপে গেল । কি করার কলটা কেটে দিল । মনটা খারাপ হয়ে গেল , ফেসবুকে প্রথম কোন মেয়ের সাথে কথা ।

ফেসবুকে আবার ঠুকেই দেখি ম্যাসেজ , ঐ মাইয়া দিছে । ওফফ , লিখছে আবার একটু কল দিন । বুঝলাম আমার ভয়েস শুনে সে ও ফিদা । ম্যাসেজটা দেখেই সাথে সাথে কল দিলাম । কিছুক্ষণ কথা হলো, বুঝলাম মেয়েটা আনেক ভদ্র । বাবা সেনাবাহিনীতে জব করে , আর সে এবার সাভার ক্যান্টনমেন্টে ইন্টারে 1ম বর্ষ (2011-2013) । নামটা বলতে পারছি না , আমি তার ক্ষতি চাই না তাই ।
কথা শেষ করলাম । এত্তো দিনে ফেসবুকে একটা মেয়ে বন্ধু পেলাম ।

হুমম এখন আর Mig33 ভালো লাগে না । সারাদিন ফেসবুকে অনলাইন । কখন সে ম্যাসেজের রিপ্লাই দিবে । সত্যি মেয়েটার সরলতার প্রেমে পরে গেলাম । কি আর করার মেয়েটাকে ম্যাসেজ করতে করতে বিরক্ত করে ফেললাম । তারপরও কথা চলছিল , যেমনটা সবার হয় ।

তবে ভালোই যাচ্ছিল দিনকাল , কিন্তু আকাশে মেঘ জমাটা অসাভাবিক কিছু নয় । একটা ছোট ফটো নিয়ে ভুল বোঝাবুঝি । যতটা এগিয়েছি সবই বৃথা । আমি তার একটা ছবি ডাউনলোড করি । তা ভুলে আপলোড হয়ে যায়, আমি ছবি অফফ করে ফেসবুক ইউজ করতাম , ভুল কি করে বুঝবো ?? তার ছবি আমি আপলোড করেছি এটা দেখে, রেগে সে আমাকে ব্লক করে দেয় ।

শেষ হয়ে গেল আমার লাভ স্টোরি । আসলে সবাই ভুলে গেলও । আমি এখনও তাকে ভুলতে পারি নাই । কেননা সে আমার ফেসবুকে পরিচিত প্রথম মেয়ে। হুমম মিস করি তাকে খুব মিস করি । সে হয়তো কখনো বুঝতে পারবে না । শুনলাম তার খুব তাড়াতাড়ি বিয়ে হবে । আজ আমার পরিবর্তন হয়েছে কিন্তু আমি আজও তার কাছে লুজার । যদি একবার বলতে পারতাম আমি খারাপ নই , আমি লুজার নই ।

তারকাছে আমি লুজার তবুও তাকে ভালোবাসবো , হয়তো এটা পাগলামি কিন্তু এটাই সত্যি , আর এরকম ভালোবাসতে কজনি পারে ??

Comments

Popular posts from this blog

চরম একটা ভালবাসার গল্প

পড়লে ঠকবেন না, কথা দিচ্ছি অন্যরকম ভালবাসা মিজান দশম শ্রেণীর ছাত্র । শহরের একটা স্কুলে লেখাপড়া করে সে। শুধুমাত্র ওর পড়াশুনার জন্যই পুরো পরিবারের, গ্রাম থেকে এসে এইশহরে থাকা । বাবা চাকরির জন্য এখানে থাকতেপারেন না, সপ্তাহে দু'একদিন আসেন । তাই মা'কেই সামলাতে হয় সংসারের পুরো দায়িত্ব। মধ্যবিত্ত পরিবার, তাই সারা বছর টানা পোড়েন লেগেই থাকে । লেখাপড়া, বাড়ীভাড়া, বাজার-খরচ চালাতে মুটামুটি হিমসিম থেতে হয় তাকে, তার উপর আবার চিরসঙ্গী কোমরের ব্যাথা! শত কষ্টের মাঝেও তিনি নিজের কথা ভুলে ছেলের সকল চাহিদা পূরন করেন। ~ ~ ~ ~ ~ ~ ~ ~ ~ ~ কিছুদিন পর ১৪ই ফেব্রুয়ারী। বন্ধুমহলে আনাগোনা শুরু হয়ে গেছে,"কে কার প্রিয়জনকে কি gift দেবে?"এই নিয়ে । মিজানের অবশ্য তেমন বিশেষ কেউনেই। কিন্তু সেও gift কেনার জন্য টাকা জমাতে থাকে। সে ঠিক করে, এবার'ভালবাসা দিবসে' মাকে একটা কিছু দিবে । মার্কেটে অনেক ঘুরাঘুরির পর খুবসুন্দর একটা শাড়ী পছন্দ করে মায়ের জন্য । কিন্তু বিপত্তিটা হল দাম নিয়ে! শাড়ীটার দাম লেখা ৭০০/- টাকা.! (একদর)। কিন্তু ওতো এই ক'দিনে টিফিনের টাকা বাঁচিয...

আধুনিক ভালোবাসার গল্প

একটি কঠিন ভালুবাসার কাহিনি... রাজু আর মর্জিনা ফেসবুকে প্রায় প্রতিদিন চ্যাট করত!রাজু আস্তে আস্তে মর্জিনার প্রতি দুর্বল হতে থাকল!এবং একদিন এই কথাটা মর্জিনাকে বলে দিল!কিন্তু মর্জিনা 'না' করে দিল এবং রাজুর সাথে চ্যাটিং বন্ধ করে দিল! রাজু ভাই দুঃখে ঘাস খাইতে লাগিল!!! (যারা প্রেম করিতে চায়,তারা ঘরু-ঘাস ই খায়)! তার কিছুদিন পর মর্জিনা রাজুকে খুব মিস করিতে লাগিল!... এবং বুঝে গেছে যে সে রাজুর প্রেমে নাকানি- চুবানি খাইতেছে! কিন্তু লজ্জায় মর্জিনাপু কথাটি না বলতে পেরে রাজু সাবকে এক্ষান পিকচার ট্যাগ করিয়ছেনঃ 'আমিও তোমাকে আমার কৈলজা দিয়া দরদ করি' এইরাম টাইপের! বালুবাসা উতলাই পরতেছে!! আর এদিকে রাজু ভাই দুঃখে বিড়ি,সিগেরেট,মদ ,গাজা,বিয়ার,হুইস্কি খাইয়া,সব ট্যাকা- টুকা ফুরাইয়া '০.ফেসবুক.কম' চালাইতেছে! যার কারনে সে মর্জিনাপুর ট্যাগ করুইন্না পিকটা দেখতে পারে নাই!!! (হায় হায়রে )! আর এদিকে মর্জিনা অপেক্ষা করতে করতে দিন,মাস পার করে দিতেছে!তিনার অপেক্ষা রাগে পরিনিত হৈয়া গেছে,তাই তিনি কাইটা পরছেন! কাহিনিটা শেষ হয়নাই,আরেকটু আছেঃ একদিন রাজু ভাইয়ের আইডিটা জুক...

শূন্যতা

""""একটা মেয়েকে অনেক ভালবাসি... ৪ বছরের বেশি সময় ধরে আমাদের রিলেশন ছিল। ও আমাকে অনেক ভালবাসত,আমিও তাকে অনেক ভালবাসি. আমার রাগ ছিল অনেক, ও আমার রাগ টা কে অনেক বেশি ভয় পেত, সবকিছুই করতে পারত আমার জন্য... ৪ টি বছর শত ঝামেলার, অনেক বাঁধার মধ্যেও রিলেশন টা টিকে থাকে আমাদের, মাসে একবার অনেক কষ্টে ওর সাথে দেখা করার সুযোক হত, কখনো হত না, ওর সাথে আমার ফোন এ কথা হতো না কখনো...প্রতিদিন sms এ রাতে কথা হত। কিছুদিন হল তার সাথে আমার সাথে সব কিছুঁই শেষ হয়ে গেছে... কিভাবে.........? আজ থেকে ২৫ দিন আমাদের ঝগড়া হয়,এই রকম আগেও অনেকবার হয়েছে। সেদিন এর পর থেকে আর কোন কথা হয়নি আমাদের... মাঝখানে ৭ দিন পর সে কষ্টে আছে শুনে একদিন তাকে আমি ম্যাসেজ করি সে আমাকে উল্টাপাল্টা বলায় আমি আবার রেগে যাই. সে তার সব বান্ধবীদের বলে আমি নাকি তার সাথে ব্রেকআপ করেছি... আমার রাগ এর কারণে আবার ও সেদিন তাকে আমি কথা শুনিয়েছিলাম ও আমাকে Sorry বলে কিন্তু তার মুল্য দেইনি ফোন off করে রেখে দেই… গত ২৬ তারিখ রাতে তার আব্বু একটা রোড এক্সিডেন্ট এ মারা যায়, আমি পাশে থাকতে পারিনি তার... আমার ঢাকায় ও তার পর...