Skip to main content

Posts

পৌরুষের দশটি নিয়ম কী?

  পৌরুষের দশটি নিয়ম কী? কখনোই নিজেকে অবমূল্যায়ন করবেন না, সেটা আপনার মর্যাদার দিক থেকে হোক বা আপনার পুরুষত্বের দিক থেকে হোক। নিজেকে ভালবাসুন। আত্মবিশ্বাস, আত্মসম্মান, এবং অন্য মানুষকে খুশি করার জন্য বাঁচবেন না। পুরুষরা কখনো ব্যর্থ হয় না। তারা শুধু হোঁচট খায়। একজন মানুষ হিসেবে জীবনের চ্যালেঞ্জগুলি গ্রহন করুন এবং ব্যর্থতা বা পরাজয়ের কাছে কখনোই হেরে যাবেন না। মস্তিষ্কবিহীন একজন পুরুষ সবসময় অন্য পুরুষ এবং মহিলাদের দ্বারা ভ্রান্ত হবে। ভাল বই পড়ার অভ্যাস তৈরি করে কেবল আপনার মস্তিষ্ককে ব্যায়াম করুন। আপনার মস্তিষ্ক স্থিতিস্থাপক এবং এটি প্রসারিত হতে থাকবে। আর এর জন্য দরকার ভালো বই। আপনার প্রিয়তমার যত্ন নিন; তাকে ভালবাসুন তাহলে সেও আপনাকে ভালোবাসবে - কখনো ছেড়ে যাবে না। সম্ভব হলে ভালবাসার ক্ষেত্রে তাড়াহুড়া করুন। সে জানবে আপনি তাকে এবং তার সন্তানদের ভালো রাখার জন্য কঠোর পরিশ্রম করছেন। নিজেকে কখনো ভেঙে যেতে দেবেন না। সর্বদা আর্থিকভাবে এগিয়ে থাকার জন্য সর্বদা পরিশ্রম করুন। অর্থ উপার্জনের জন্য যে কোন কিছু এবং সবকিছু করুন (বৈধ পথে)। ধার নেওয়ার অভ্যাস করবেন না। ঋণ নেওয়া আপনাকে ঋণদাতার ...
Recent posts

চিরদিন প্রতিদিন

প্রতিদিনের মতই সকাল সকাল তারাহুরো করছে শুভ্র। গোসল টা শেষ করেই, এই নীলা,নীলা রান্না ঘর থেকে,  আসছি এই এই আরে বাবা বুঝেছি, যাও দেখ তোমার টেবিলের পাশে মানিব্যাগ আর রুমাল রেখে দিয়েছি। আর টাই.. বলতে বলতে টাই নিয়ে গলায় পরিয়ে দিচ্ছে নীলা। শুভ্র হাসতে হাসতে এক পলকে দেখছে নীলাকে। "নীলা আজ তোমাকে অনেক সুন্দর লাগছে" মুচকি হেসে "প্রতিদিনি তো বলো,কোন দিন লাগে না?" শুভ্র নীলাকে জড়িয়ে ধরে " লক্ষি বউ আমার।" হয়েছে হয়েছে এস খাবে, এখনো তোমাকে খাইয়ে দিতে হয়,আমি না থাকলে কি করবে? আমিও যাব তোমার সাথে। :) হ্যা হ্যা, দেখা যাবে। কপালে আলতো করে কিস করে বেরিয়ে গেল শুভ্র।নিচে নেমে বার বার ঘুরে ঘুরে দেখছে বারান্দায় নীলা দাড়িয়ে হাত নাড়ছে......কি মিষ্টিমুখ, দেখলেই সব কষ্ট ভুলে যায় শুভ্র। দুপুর ১২ টা, হটাৎ ফোন নীলার," মা অনেক অসুস্থ,যেতে হবে, কদিন থাকতে বলেছে...... না করতে পারল না শুভ্র, আচ্ছা যাও,দেখে শুনে যেও আমি গাড়ি পাঠাচ্ছি। আচ্ছা, আর খেয়ে নাও তাড়াতাড়ি। হুম। ব্যাস মনের মাঝে ঝড় চলছে, ২ বছর বিয়ে, একদিন ও নীলাকে ছাড়া থাকেনি শুভ্র,আজ কিভাবে? মাঝে অনেক বার কথাও হলো। সব...

নির্বাক পৃত্রিস্নেহ

শুরুতেই ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি, পুরুষ শাষিত সমাজ বলে পুরুষদের উপরে রাখছি তা নয়।অথবা আধুনিক যুগের নারীদের মনোভাব কে নিচু করছি না। লেখাটি সম্পুর্ন কাল্পনিক।এমন কি আমি নারী পুরুষ কারো সম্পর্কে না বোধক মনোভাব ব্যাক্ত করছি না। লেখাটি একজন বাবা আর একটি ছোট্ট মেয়েকে নিয়ে। মেয়েটির বয়স যখন ১.৫, তখন তার মা তাকে বাবার কাছে ফেলে চলে যায়। মেয়েটির বয়স এখন ৫। আত্মিয় সজন ও বন্ধুবান্ধব কে স্ত্রী চলে যাওয়ার কারন বলতে পারবে না বলে মেয়েকে নিয়ে বাবাটি আজ অনেক দুরে। যেখানে তাদের কেউ চেনে না। ঘরের কাছে অফিস বলে মেয়ের খাওয়া দাওয়া সব বাবা ই করাতে পারে, হটাৎ একদিন মেয়ে ল্যাপটপে ছবি দেখতে দেখতে.. মেয়ে: পাপা পাপা, সব ছবিতে আমার মত একটা নয় দুইটা বাবু,  তোমার মত একটা পাপা,আর একটি বড় মেয়ে থাকে, কিন্তু আমাদের ছবিতে বড় মেয়ে নেই কেন? বিদ্যুৎ স্পর্শের মত ঝাটকা লাগল শুভ্রর। হুম বাবাটির নাম শুভ্র। এ প্রশ্নের সম্মুখিন হতে হবে জানতো কিন্তু এত তারাতারি? ভাবতে ভাবতে চোখ ছল ছল করে ওঠে। অনেক কষ্টে নিজেকে মানিয়ে মেয়েকে বোঝায়,  বড় মেয়েটা যদি থাকতো তাহলে আমার এই ছোট্ট নিশি মনি কে এত আদর করতে দিত না।  বড় শখ ক...
শেষের কবিতা - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কলকাতার কলেজে পড়ে যতিশংকর। থাকে কলুটোলা প্রেসিডেন্সি কলেজের মেসে। অমিত তাকে প্রায় বাড়িতে নিয়ে আসে, খাওয়ায়, তার সঙ্গে নানা বই পড়ে, নানা অদ্ভুত কথায় তার মনটাকে চমকিয়ে দেয়, মোটরে করে তাকে বেড়িয়ে নিয়ে আসে। তার পর কিছুকাল যতিশংকর অমিতর কোনো নিশ্চিত খবর পায় না। কখনো শোনে সে নৈনিতালে, কখনো উটকামণ্ডে। একদিন শুনলে, অমিতর এক বন্ধু ঠাট্টা করে বলছে, সে আজকাল কেটি মিত্তিরের বাইরেকার রঙটা ঘোচাতে উঠে-পড়ে লেগেছে। কাজ পেয়েছে মনের মতো, বর্ণান্তর করা। এতদিন অমিত মূর্তি গড়বার শখ মেটাত কথা দিয়ে, আজ পেয়েছে সজীব মানুষ। সে মানুষটিও একে একে আপন উপরকার রঙিন পাপড়িগুলো খসাতে রাজি, চরমে ফল ধরবে আশা করে। অমিতর বোন লিসি নাকি বলছে যে, কেটিকে একেবারে চেনাই যায় না, অর্থাৎ তাকে নাকি বড্‌ডো বেশি স্বাভাবিক দেখাচ্ছে। বন্ধুদের সে বলে দিয়েছে তাকে কেতকী বলে ডাকতে; এটা তার পক্ষে নির্লজ্জতা, যে মেয়ে একদা ফিন্‌ফিনে শান্তিপুরে শাড়ি পরত সেই লজ্জাবতীর পক্ষে জামা শেমিজ পরারই মতো। অমিত তাকে নাকি নিভৃতে ডাকে "কেয়া" বলে। এ কথাও লোকে কানাকানি করছে যে, নৈনিতালের সরোবরে নৌকো ভ...

মন শুধু মন ছুঁয়েছ

ক্যামেরাঃ কর্ণার থেকে ক্লোজ হয়ে দরজা সহ বাইরের কিছু অংশ কভার করে স্থির হবে স্থানঃ ছোট্,সুন্দর ১টি শহরের কোন এক রেস্টুরেন্টের দ্বিতীয় তলা দর্শকঃ পাঠক ভিতরটা লাল,নীল আর হলুদ এই তিন রঙের আলোয় আলোকিত হয়ে আছে।আসলে এই তিন আলোর মিশ্রণে তৈরী নতুন একটা আলোয় আলোকিত,আবছাভাবে।ভিন্ন আলোর তরঙ্গদৈর্ঘের এই ভিন্নতা মনে হয়  চোখের ক্লান্তি ডেকে আনার ব্যাপারে বেশ পারদর্শী। সে কারনেই বুঝি কোনার টেবিলে বসা ছেলেটি রীতিমত হাই তুলেই চলেছে।অথচ পাঁচ মিনিট আগেই যখন এখানে এসে বসল বেশ তরতাজাই দেখাচ্ছিল।এরই মধ্যে ছেলেটার মধ্যে টাংগাইল- ময়মনসিংহের লোকাল বাসের একটা ভাব চলে এসেছে।ঢিমেতালে চলতে চলতে সুযোগ বুঝে একটু জিড়িয়ে নেয়া। কাঁচের ভিতর দিয়ে পিঙ্ক কালারের ড্রেস পড়া একটি মেয়েকে সরল ছন্দে হেটে এদিকেই এগিয়ে আসতে দেখা যাচ্ছে।পিঙ্ক রঙটা আসলে মেয়েরা কিনে নিয়েছে।ওদেরই মানায়,আর ওরাও মহাধুমধামের এবং সফলতার সাথে জীবনের সকল ক্ষেত্রে ব্যবহারও করে যাচ্ছে।পেন্সিল বক্স থেকে শুরু করে চুলের ক্লিপ,সর্বক্ষেত্রেই পিঙ্কের সফল বিচরণ।এটাকে আবার বাংলা গোলাপী নামেও ডাকা চলবে না।তাহলে নাকি রঙের সৌন...

এক বিকেলের চিঠি

(১) উড়ো পাতার মেঘের ভাজে পুরে, আমি একদিন কি ভেবে আমার গল্পগুলোকে পাঠিয়ে দিয়েছিলাম তার কাছে। গল্পগুলো ঠিক গল্প নয়, জানো তো... নিতান্তই দৈনন্দিন টুকিটাকি। এই তো সেদিন, আলগোছে পাতা উল্টিয়ে দেখি, এক কোণে লিখে রেখেছি সেদিনকার বাজার দর। কুচো চিংড়ি আধসের ১০০ টাকা! কুচো চিংড়ির দরদাম জেনে সে কি করবে এটা কিছুতেই মাথায় আসে নি! কি জানি কি সব আবোল তাবোল লিখি! তবে চিঠিগুলো কিন্তু তাকেই লেখা। এই যেমন ধরো বিকেল বেলায় অলস বিছানায় গা এলিয়ে বসে থাকতে থাকতে লিখে ফেলেছি দু'কলম! মাঝে মাঝে গভীর রাত্তিরে ঘুম ভেঙে চোখ কচলাতে কচলাতে লিখেছি, "আজকের চাঁদটা মারকুটে ধরণের সুন্দর!" তারপর ওই যে ঐ দিন, যেদিন সবাই দোর বেঁধে কোথায় যেনো গেলো! সেদিন লিখেছিলাম নিষিদ্ধ চিঠি। দুয়ার বন্ধ রেখে লুকোচুরি খেলার গল্প! পেছনের চিঠি আমার আবার উল্টেপাল্টে পড়ার অভ্যেস! মাঝে মাঝে নিজেই বুঝে উঠতে পারি না, হতচ্ছাড়া কথাগুলো কেন লিখেছিলাম, কি ভেবে এতো মান-অভিমান, উচ্ছ্বাস... মাঝে মাঝে ঝগড়া! সবটাই একপক্ষীয়, ছেলে মানুষী! আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নাটকের পার্ট মুখস্থ করার মতো। কেউ দেখছে না, জানছে না... পুরোটাই ন্য...

জীবনের গল্প যেখানে যেমন……

খুব সন্তপর্নে নোলকটা খুলে ফেলল পাখি। চোখের নদীটার বাঁধ ভেঙ্গে উপচে পড়ছে।বুকের মাঝে একটা অবর্ণনীয় কষ্ট, কষ্টটা বাসা বেঁধেছিল অনেকদিন হয় , আজ সেই বাসায় ঝড় উঠেছে। মানুষটা নাকি আর আসবেনা। এভাবেই চলে যায় মাত্র পাঁচ মাস আগেই তো বাবায় উনার হাতে তুলে দিল, কি সুন্দর করে বলছিলেন উনি আমি আপনার মেয়েরে দেখে রাখব , এটাকেই কি দেখে রাখা বলে? আচ্ছা উনি কি জানেন আমার ভিতরে এখন উনার একটা অংশ?কেমনে জানবেন, উনাকে ত বলার সময় টাও দেননি।আহারে , মানুষটা কি দুর্ভাগা জেনেও যেতে পারলেননা।আচ্ছা আসলে কে দুর্ভাগা মানুষটা নাকি সে নিজে? তিনমাস হয় মানুষটা নাই হয়ে গেছে , কেউ কোনও খোঁজ ও দিতে পারলনা। আর কত দিন এরকম একা থাকতে হবে? উনি নাকি সত্যি আর আসবেননা, বিধবাদের নাকি নাক খালি রাখতে হয় , এত তাড়াতাড়ি পাখি কখনই চায়নি মেনে নিতে কিন্তু আজ সবাই বলে গেল সে নাকি উনার অমঙ্গল ডেকে আনছে। এরপর আর তার সাহস হয়নাই নোলক পরে থাকার। এরপরে আর অনেকগুলো মাস গেলো।নাহ উনি ফিরে এলেননা । আসলে যারা একবার যারা যায়, তারা আর ফিরে আসেনা। কিন্তু উনার কি অইদিন যাওয়ার আসলেই খুব দরকার ছিল? টাকা পয়সার টানাটানি সারা জীবন ই থাকবে...