Skip to main content

সময় বড় অদ্ভূত ... খুব সুন্দর করে মানুষকে অদ্ভূত বানিয়ে দেয় ...

"সে কোন রোমান্টিক মুভি দেখে না ... বন্ধুরা কোন রোমান্টিক মুভি দেখতে নিলেই সে আস্তে করে উঠে চলে যায়, নতুবা মোবাইল
নিয়ে অন্যমনস্কভাবে গেমস খেলতে থাকে

... বন্ধুরা জিজ্ঞেস করলে কপাল কুঁচকে সে বলেঃ

"হুরর !! এইসব লুতুপুতু মুভি ভাল্লাগে না !!"

বন্ধুরা দাঁত মুখ খিচিয়ে বলেঃ "শালা আনরোমান্টিক !!"

সে মুচকি হাসি দেয় শুধু !!

... ... ...

সে কোন প্রেমের গান শোনে না ... সারাদিন হাই বিটের রক বা মেটাল শুনে ... এই তো সেদিন ঐ

মেয়েটা বললোঃ "তোমার জন্য নীলচে তারার একটুখানি আলো" -

গানটা শুনতে ... সে শুনলো না ...

বললোঃ "ভাল্লাগে না !!"

মেয়েটা অবাক হলো ... রেগে গেলো ... বললোঃ

"তোমার অর্ণবের গান ভাল্লাগে না ... কত্ত বড় রুচিহীন !!"

সে মুচকি হাসলো ... কিছু বললো না !!

... ... ...

সে হুমায়ুন আহমেদের বই পড়ে না ... রূপা আর হিমুর মাঝের কথোপকথনগুলো তার ভাল লাগে না ...

সবাই বলেঃ "তুই একটা খ্যাঁত !!"

তার বৃষ্টি ভাল লাগে না ...

জোছনা ভাল লাগে না

... সবাই যখন অবাক হয়ে বলেঃ

"তুমি কি মানুষ ??" সে মুচকি হাসে !!

সে কাউকে কিছু বলে না ... শুধুই মুচকি হাসে

... এক সময় তার সব ভালো লাগতো ... রোমান্টিক মুভির ঐ সিনটা সে বারবার দেখতো, কাউকে দেখতে বলতো !!

এক সময় তার সব ভালো লাগতো ... কেউ
একজন তাকে গেয়ে শুনাতোঃ "তোমার জন্য এতগুলো রাত অধীর হয়ে জেগে থাকা...
তোমায় ঘিরে আমার ভাল লাগা !!"

এক সময় তার সব ভালো লাগতো ... ঝুম
বৃষ্টিতে ঝাপসা চশমার কাচের ভেতর দিয়ে কারো দিকে তাকিয়ে থাকতে ভালো লাগতো ...
জোছনার আলোয় শক্ত করে কারো হাত ধরে রাখতে ভালো লাগতো !!

সময় বড় অদ্ভূত ... খুব সুন্দর
করে মানুষকে অদ্ভূত বানিয়ে দেয় ...

"আনরোমান্টিক" বানিয়ে দেয় ... "খ্যাঁত" বানিয়ে দেয় ... "অমানুষ" বানিয়ে দেয় !!

কিংবা মানুষ স্বেচ্ছায়ই এরকম অদ্ভূত
হয়ে যায় ... ওরকম অদ্ভূত সেজে মুচকি হাসি দিয়ে সব উড়িয়ে দেয়াটাই সহজ ... দাঁতে দাঁত চেপে, ঠোঁট কামড়ে কিংবা দুই হাত দিয়ে শক্ত করে মুখ চেপে কান্না আটকানোটাই
বরং ভীষণ কঠিন !!"

Comments

Popular posts from this blog

চরম একটা ভালবাসার গল্প

পড়লে ঠকবেন না, কথা দিচ্ছি অন্যরকম ভালবাসা মিজান দশম শ্রেণীর ছাত্র । শহরের একটা স্কুলে লেখাপড়া করে সে। শুধুমাত্র ওর পড়াশুনার জন্যই পুরো পরিবারের, গ্রাম থেকে এসে এইশহরে থাকা । বাবা চাকরির জন্য এখানে থাকতেপারেন না, সপ্তাহে দু'একদিন আসেন । তাই মা'কেই সামলাতে হয় সংসারের পুরো দায়িত্ব। মধ্যবিত্ত পরিবার, তাই সারা বছর টানা পোড়েন লেগেই থাকে । লেখাপড়া, বাড়ীভাড়া, বাজার-খরচ চালাতে মুটামুটি হিমসিম থেতে হয় তাকে, তার উপর আবার চিরসঙ্গী কোমরের ব্যাথা! শত কষ্টের মাঝেও তিনি নিজের কথা ভুলে ছেলের সকল চাহিদা পূরন করেন। ~ ~ ~ ~ ~ ~ ~ ~ ~ ~ কিছুদিন পর ১৪ই ফেব্রুয়ারী। বন্ধুমহলে আনাগোনা শুরু হয়ে গেছে,"কে কার প্রিয়জনকে কি gift দেবে?"এই নিয়ে । মিজানের অবশ্য তেমন বিশেষ কেউনেই। কিন্তু সেও gift কেনার জন্য টাকা জমাতে থাকে। সে ঠিক করে, এবার'ভালবাসা দিবসে' মাকে একটা কিছু দিবে । মার্কেটে অনেক ঘুরাঘুরির পর খুবসুন্দর একটা শাড়ী পছন্দ করে মায়ের জন্য । কিন্তু বিপত্তিটা হল দাম নিয়ে! শাড়ীটার দাম লেখা ৭০০/- টাকা.! (একদর)। কিন্তু ওতো এই ক'দিনে টিফিনের টাকা বাঁচিয...

আধুনিক ভালোবাসার গল্প

একটি কঠিন ভালুবাসার কাহিনি... রাজু আর মর্জিনা ফেসবুকে প্রায় প্রতিদিন চ্যাট করত!রাজু আস্তে আস্তে মর্জিনার প্রতি দুর্বল হতে থাকল!এবং একদিন এই কথাটা মর্জিনাকে বলে দিল!কিন্তু মর্জিনা 'না' করে দিল এবং রাজুর সাথে চ্যাটিং বন্ধ করে দিল! রাজু ভাই দুঃখে ঘাস খাইতে লাগিল!!! (যারা প্রেম করিতে চায়,তারা ঘরু-ঘাস ই খায়)! তার কিছুদিন পর মর্জিনা রাজুকে খুব মিস করিতে লাগিল!... এবং বুঝে গেছে যে সে রাজুর প্রেমে নাকানি- চুবানি খাইতেছে! কিন্তু লজ্জায় মর্জিনাপু কথাটি না বলতে পেরে রাজু সাবকে এক্ষান পিকচার ট্যাগ করিয়ছেনঃ 'আমিও তোমাকে আমার কৈলজা দিয়া দরদ করি' এইরাম টাইপের! বালুবাসা উতলাই পরতেছে!! আর এদিকে রাজু ভাই দুঃখে বিড়ি,সিগেরেট,মদ ,গাজা,বিয়ার,হুইস্কি খাইয়া,সব ট্যাকা- টুকা ফুরাইয়া '০.ফেসবুক.কম' চালাইতেছে! যার কারনে সে মর্জিনাপুর ট্যাগ করুইন্না পিকটা দেখতে পারে নাই!!! (হায় হায়রে )! আর এদিকে মর্জিনা অপেক্ষা করতে করতে দিন,মাস পার করে দিতেছে!তিনার অপেক্ষা রাগে পরিনিত হৈয়া গেছে,তাই তিনি কাইটা পরছেন! কাহিনিটা শেষ হয়নাই,আরেকটু আছেঃ একদিন রাজু ভাইয়ের আইডিটা জুক...

শূন্যতা

""""একটা মেয়েকে অনেক ভালবাসি... ৪ বছরের বেশি সময় ধরে আমাদের রিলেশন ছিল। ও আমাকে অনেক ভালবাসত,আমিও তাকে অনেক ভালবাসি. আমার রাগ ছিল অনেক, ও আমার রাগ টা কে অনেক বেশি ভয় পেত, সবকিছুই করতে পারত আমার জন্য... ৪ টি বছর শত ঝামেলার, অনেক বাঁধার মধ্যেও রিলেশন টা টিকে থাকে আমাদের, মাসে একবার অনেক কষ্টে ওর সাথে দেখা করার সুযোক হত, কখনো হত না, ওর সাথে আমার ফোন এ কথা হতো না কখনো...প্রতিদিন sms এ রাতে কথা হত। কিছুদিন হল তার সাথে আমার সাথে সব কিছুঁই শেষ হয়ে গেছে... কিভাবে.........? আজ থেকে ২৫ দিন আমাদের ঝগড়া হয়,এই রকম আগেও অনেকবার হয়েছে। সেদিন এর পর থেকে আর কোন কথা হয়নি আমাদের... মাঝখানে ৭ দিন পর সে কষ্টে আছে শুনে একদিন তাকে আমি ম্যাসেজ করি সে আমাকে উল্টাপাল্টা বলায় আমি আবার রেগে যাই. সে তার সব বান্ধবীদের বলে আমি নাকি তার সাথে ব্রেকআপ করেছি... আমার রাগ এর কারণে আবার ও সেদিন তাকে আমি কথা শুনিয়েছিলাম ও আমাকে Sorry বলে কিন্তু তার মুল্য দেইনি ফোন off করে রেখে দেই… গত ২৬ তারিখ রাতে তার আব্বু একটা রোড এক্সিডেন্ট এ মারা যায়, আমি পাশে থাকতে পারিনি তার... আমার ঢাকায় ও তার পর...