ছেলেটি খুব ভালো। নম্র-ভদ্র স্বভাবের, কারো সাথে খারাপ ব্যবহার করে না, লেখাপড়ায়ও ভালো। অন্যদিকে ক্যারিয়ার সচেতন, মা-বাবার খেয়াল রাখে, সমাজে সকলেই তাঁদেরকে ভালো ছেলে হিসাবে জানে। একটু লক্ষ্য করলেই দেখবেন যে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এই ভালো ছেলেগুলোর প্রেমিকা হয় না। বা প্রেমিকা হলেও সম্পর্ক স্থায়ী হয় না। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই মন ভাঙার যন্ত্রণা ছেলেটি একা বহন করে বেড়ায়। কেন হয় এমন? সেই প্রশ্নের জবাব রইলো এই ফিচারে।
১. গায়ে পড়া স্বভাব নেই
ভালো ছেলেরা শুধু মেয়ে কেন, কারো সাথেই গায়ে পড়ে আলাপ করতে পারেন না। এমনকি কেউ আলাপ করতে এলেও অনেকেই নিজের মাঝে গুটিয়ে থাকেন। ফলে তাঁদের পরিচিত মানুষের পরিধি হয় অনেক কম। আর মেয়েদের সাথে পরিচয়ও হয় কম।
২.তারা ছলকলা বোঝে না
প্রেম করতে ও কোন মেয়েকে প্রেমে ফেলতে গেলে একটু কৌশল, একটু ছলকলা জানতেই হয়। বলাই বাহুল্য যে ভালো ছেলেরা এসব থেকে একশ হাত দূরে থাকেন এবং এগুলো বোঝেনও না। প্রেমের সপ্ত ছলকলা এদের রপ্তের বাইরেই থেকে যায়।
৩.ভালো ছেলেরা "বোরিং" হয়
মেয়েদের একটা চিরকালের আগ্রহ আছে একটু খারাপ ছেলেদের প্রতি। তাঁদের প্রেমিকা হওয়াকে মেয়েদের কাছে একটা চ্যালেঞ্জ মনে হয়। অন্যদিকে ভালো ছেলেদেরকে তাঁদের চোখে মনে হয় "বোরিং"।
৪. মায়ের কথা মেনে চলে
বেশিরভাগ ভালো ছেলে মায়ের কথা খুব শোনে। মায়ের পছন্দ ছাড়া বিয়ে করবো না, কিংবা সব সিধান্তে মাকে শামিল করে তারা। এই ব্যাপারটা বেশিরভাগ মেয়ে পছন্দ করে না।
৫. ক্যারিয়ার নিয়ে বেশী সচেতন
বেশিরভাগ ভালো ছেলেই নিজের লেখাপড়া ও ক্যারিয়ার নিয়ে খুব ব্যস্ত থাকেন। আর এই সবের মাঝেই হারিয়ে যায় প্রেম ও অন্যান্য ব্যাপার। যখন বুঝতে পারেন, ততক্ষণে দেরি হয়ে গেছে।
৬. মিথ্যা বলতে পারে না
প্রেমের সম্পর্কে টুকটাক নির্দোষ মিথ্যা থাকেই। নিজের সম্পর্কে একটু বাড়িয়ে বলা, নিজেকে একটু হিরো সাজিয়ে উপস্থাপন করা ইত্যাদি ভালো ছেলেরা পারেই না একদম। ফোলে মেয়েরাও পটে না সহজে।
৭. শুরুতেই সিরিয়াস হয়ে যায়
কারো সাথে প্রথম প্রথম ডেটিং-এই এই ধরণের ছেলেরা খুব বেশী সিরিয়াস হয়ে যায়। মেয়েটির ওপরে অধিকার ফলাতে থাকে। আর এটাই সম্পর্কটাকে সামনে এগোতে বাঁধা দেয়।
৮. প্রচণ্ড আবেগী হয়
বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ভালো ছেলেরা হয় প্রচণ্ড আবেগী ও স্পর্শকাতর। এরা খুব অভিমানী স্বভাবেরও হয়। তাই তুচ্ছ কারণে এদের সম্পর্ক ভাঙে এবং নতুন সম্পর্ক হয় না।
৯. খারাপ মেয়েদের খপ্পরে পড়ে
বেশিরভাগ ভালো ছেলেই সত্য ও মিথ্যার মাঝে পার্থক্য বুঝতে পারে না। ফলে তারা পুরুষ লোভী কিছু খারাপ মেয়েদের খপ্পরে পড়ে। এবং অন্য মেয়েদের উপর থেকেও বিশ্বাস হারিয়ে ফেলে।
১০. সম্পর্কভীতি কাজ করে
প্রেম করলে কী হবে? যদি বিয়ে না করতে পারি? বাসায় জানলে কী হবে? কীভাবে প্রপোজ করবো... সম্পর্ক নিয়ে ইত্যাদি হরেক রকম ভীতি কাজ করে অনেকের মনেই। আর এর ফলে তাঁদের প্রেম করাটাই হয়ে ওঠে না। - See more at: http://www.bd24live.com/bangla/article/6516/index.html#sthash.RdBQW9u9.10FGvv3Z.dpuf
পড়লে ঠকবেন না, কথা দিচ্ছি অন্যরকম ভালবাসা মিজান দশম শ্রেণীর ছাত্র । শহরের একটা স্কুলে লেখাপড়া করে সে। শুধুমাত্র ওর পড়াশুনার জন্যই পুরো পরিবারের, গ্রাম থেকে এসে এইশহরে থাকা । বাবা চাকরির জন্য এখানে থাকতেপারেন না, সপ্তাহে দু'একদিন আসেন । তাই মা'কেই সামলাতে হয় সংসারের পুরো দায়িত্ব। মধ্যবিত্ত পরিবার, তাই সারা বছর টানা পোড়েন লেগেই থাকে । লেখাপড়া, বাড়ীভাড়া, বাজার-খরচ চালাতে মুটামুটি হিমসিম থেতে হয় তাকে, তার উপর আবার চিরসঙ্গী কোমরের ব্যাথা! শত কষ্টের মাঝেও তিনি নিজের কথা ভুলে ছেলের সকল চাহিদা পূরন করেন। ~ ~ ~ ~ ~ ~ ~ ~ ~ ~ কিছুদিন পর ১৪ই ফেব্রুয়ারী। বন্ধুমহলে আনাগোনা শুরু হয়ে গেছে,"কে কার প্রিয়জনকে কি gift দেবে?"এই নিয়ে । মিজানের অবশ্য তেমন বিশেষ কেউনেই। কিন্তু সেও gift কেনার জন্য টাকা জমাতে থাকে। সে ঠিক করে, এবার'ভালবাসা দিবসে' মাকে একটা কিছু দিবে । মার্কেটে অনেক ঘুরাঘুরির পর খুবসুন্দর একটা শাড়ী পছন্দ করে মায়ের জন্য । কিন্তু বিপত্তিটা হল দাম নিয়ে! শাড়ীটার দাম লেখা ৭০০/- টাকা.! (একদর)। কিন্তু ওতো এই ক'দিনে টিফিনের টাকা বাঁচিয...
Comments
Post a Comment