Skip to main content

বিশ্বাস

----------> বিশ্বাস <-----------
একটা মেয়ের কিছু টাকা দরকার
সে তাঁর বিএফ কে ফোন দিছে _______
.
-- হ্যালো । জানু কি কর ?
-- তেমন কিছু না । কেন ?
-- এমনি তেমন কিছু না ।
-- সত্যি করে বল তোমার কণ্ঠ এমন
কেন ?
-- কই কেমন ?
-- অন্য রকম লাগছে কেন ফোন দিছ
সত্যি করে বল ।
-- এমনি দিছি ফোন, কেন
তোমাকে ফোন দিতে পারব না ?
-- না সেটা না । কথা হল তোমার
কলেজ টাইমে তুমি কখন ফোন দেওনা ।
.
-- না মানে আসলে হয়েছে কি আমার
এত টাকা লাগবে । আজকে আমাদের
কলেজে ফর্ম ফিলাপ করার লাস্ট ডেট
তো আর আমার বান্ধবি ভুল
করে টাকা ওর
টেবিলে ফেলে আসছে আর ওর
বাড়িতে এমন কেউ নাই
যে টাকাটা বিকাশ
করবে বা দিয়ে যাবে । তাই তোমার
তো একটা মোবাইল
ব্যাংকিং আছে সেখান
থেকে যদি টাকা দিতা ।
পরে তোমাকে দিয়ে দিতাম ।
.
-- থাপ্পড় চিন ফালজিল মাইয়া ।
কথাটা শুনে মেয়েটার
চোখে পানি এসে গেল অভিমান
এবং অপমানের পানি । আজকে ৪ বছর
তাদের সম্পর্ক কখন কিছু চায় নাই
মেয়েটা ছেলেটার কাছে । আজকে খুব
বিপদের পরে চেয়েছে তাও
বান্ধবির জন্য । অনেক বড়
গলা করে বান্ধবিদের
সাথে কথা বলত বিএফ
কে নিয়ে ছিছি আজেক কি করে মুখ
দেখাবে বান্ধবির কাছে । কোন
রকমে কান্না আটকে মেয়েটা আবার
কথা বলছে ,
-- সরি আমার ভুল হয়ে গেছ ।
-- অবশ্যই ভুল হয়েছে । হাতের
কাছে পাইলে ২ টা থাপ্পড় দিতাম ।
-- ( কান্না কণ্ঠে ) আমি মাফ চাই ভুল
করে ফেলছি ।
-- পাগলী তোমার উপরে আমার এই
কারনেই রাগ লাগে । তোমার
টাকা লাগবে ভাল
কথা সেটা তুমি আমাকে এই
ভাবে কেন বললা । আমি কি এত কিছু
জানতে চেয়েছি । তুমি যে কোন
একটা এটিএম বুথ বা এজেন্টের
কাছে গিয়ে বলবা ,এই শুনো আমি এই
বুথে আছি তুমি তোমার মোবাইল
ব্যাংকিঙের পাসওয়ার্ড তোমার
মোবাইল থেকে ওকে কর । কত
টাকা বা কেন লাগবে এইসব কেন
বলতে গেলা তাই আমি রাগ করছি।
তোমারে পরে পাইলে ৫ টা থাপ্পার
দিব । আমার একাউন্টের টাকাই
তো তোমার টাকা । পাগলি নিজের
একাউন্টের টাকা তুলতে আবার
বলতে হয় । এইবার একটু হাস ।
.
মেয়েটা এখন ও হাসার
বদলে কাদছে তবে সেটা খুশির
কান্না ভালবাসার বিশ্বাসের
কান্না । ছেলেটা কতটা বিশ্বাস
করে ।
সত্যি মেয়েটা নিজেকে পৃথিবীর
ভাগ্যবান লোকের একজন
মনে করছে নিজেকে । জীবনের
সবচেয়ে বর পাওয়া হল ভালবাসার
মানুষের বিশ্বাস অর্জন করা ।

Comments

Popular posts from this blog

চরম একটা ভালবাসার গল্প

পড়লে ঠকবেন না, কথা দিচ্ছি অন্যরকম ভালবাসা মিজান দশম শ্রেণীর ছাত্র । শহরের একটা স্কুলে লেখাপড়া করে সে। শুধুমাত্র ওর পড়াশুনার জন্যই পুরো পরিবারের, গ্রাম থেকে এসে এইশহরে থাকা । বাবা চাকরির জন্য এখানে থাকতেপারেন না, সপ্তাহে দু'একদিন আসেন । তাই মা'কেই সামলাতে হয় সংসারের পুরো দায়িত্ব। মধ্যবিত্ত পরিবার, তাই সারা বছর টানা পোড়েন লেগেই থাকে । লেখাপড়া, বাড়ীভাড়া, বাজার-খরচ চালাতে মুটামুটি হিমসিম থেতে হয় তাকে, তার উপর আবার চিরসঙ্গী কোমরের ব্যাথা! শত কষ্টের মাঝেও তিনি নিজের কথা ভুলে ছেলের সকল চাহিদা পূরন করেন। ~ ~ ~ ~ ~ ~ ~ ~ ~ ~ কিছুদিন পর ১৪ই ফেব্রুয়ারী। বন্ধুমহলে আনাগোনা শুরু হয়ে গেছে,"কে কার প্রিয়জনকে কি gift দেবে?"এই নিয়ে । মিজানের অবশ্য তেমন বিশেষ কেউনেই। কিন্তু সেও gift কেনার জন্য টাকা জমাতে থাকে। সে ঠিক করে, এবার'ভালবাসা দিবসে' মাকে একটা কিছু দিবে । মার্কেটে অনেক ঘুরাঘুরির পর খুবসুন্দর একটা শাড়ী পছন্দ করে মায়ের জন্য । কিন্তু বিপত্তিটা হল দাম নিয়ে! শাড়ীটার দাম লেখা ৭০০/- টাকা.! (একদর)। কিন্তু ওতো এই ক'দিনে টিফিনের টাকা বাঁচিয...

আধুনিক ভালোবাসার গল্প

একটি কঠিন ভালুবাসার কাহিনি... রাজু আর মর্জিনা ফেসবুকে প্রায় প্রতিদিন চ্যাট করত!রাজু আস্তে আস্তে মর্জিনার প্রতি দুর্বল হতে থাকল!এবং একদিন এই কথাটা মর্জিনাকে বলে দিল!কিন্তু মর্জিনা 'না' করে দিল এবং রাজুর সাথে চ্যাটিং বন্ধ করে দিল! রাজু ভাই দুঃখে ঘাস খাইতে লাগিল!!! (যারা প্রেম করিতে চায়,তারা ঘরু-ঘাস ই খায়)! তার কিছুদিন পর মর্জিনা রাজুকে খুব মিস করিতে লাগিল!... এবং বুঝে গেছে যে সে রাজুর প্রেমে নাকানি- চুবানি খাইতেছে! কিন্তু লজ্জায় মর্জিনাপু কথাটি না বলতে পেরে রাজু সাবকে এক্ষান পিকচার ট্যাগ করিয়ছেনঃ 'আমিও তোমাকে আমার কৈলজা দিয়া দরদ করি' এইরাম টাইপের! বালুবাসা উতলাই পরতেছে!! আর এদিকে রাজু ভাই দুঃখে বিড়ি,সিগেরেট,মদ ,গাজা,বিয়ার,হুইস্কি খাইয়া,সব ট্যাকা- টুকা ফুরাইয়া '০.ফেসবুক.কম' চালাইতেছে! যার কারনে সে মর্জিনাপুর ট্যাগ করুইন্না পিকটা দেখতে পারে নাই!!! (হায় হায়রে )! আর এদিকে মর্জিনা অপেক্ষা করতে করতে দিন,মাস পার করে দিতেছে!তিনার অপেক্ষা রাগে পরিনিত হৈয়া গেছে,তাই তিনি কাইটা পরছেন! কাহিনিটা শেষ হয়নাই,আরেকটু আছেঃ একদিন রাজু ভাইয়ের আইডিটা জুক...

শূন্যতা

""""একটা মেয়েকে অনেক ভালবাসি... ৪ বছরের বেশি সময় ধরে আমাদের রিলেশন ছিল। ও আমাকে অনেক ভালবাসত,আমিও তাকে অনেক ভালবাসি. আমার রাগ ছিল অনেক, ও আমার রাগ টা কে অনেক বেশি ভয় পেত, সবকিছুই করতে পারত আমার জন্য... ৪ টি বছর শত ঝামেলার, অনেক বাঁধার মধ্যেও রিলেশন টা টিকে থাকে আমাদের, মাসে একবার অনেক কষ্টে ওর সাথে দেখা করার সুযোক হত, কখনো হত না, ওর সাথে আমার ফোন এ কথা হতো না কখনো...প্রতিদিন sms এ রাতে কথা হত। কিছুদিন হল তার সাথে আমার সাথে সব কিছুঁই শেষ হয়ে গেছে... কিভাবে.........? আজ থেকে ২৫ দিন আমাদের ঝগড়া হয়,এই রকম আগেও অনেকবার হয়েছে। সেদিন এর পর থেকে আর কোন কথা হয়নি আমাদের... মাঝখানে ৭ দিন পর সে কষ্টে আছে শুনে একদিন তাকে আমি ম্যাসেজ করি সে আমাকে উল্টাপাল্টা বলায় আমি আবার রেগে যাই. সে তার সব বান্ধবীদের বলে আমি নাকি তার সাথে ব্রেকআপ করেছি... আমার রাগ এর কারণে আবার ও সেদিন তাকে আমি কথা শুনিয়েছিলাম ও আমাকে Sorry বলে কিন্তু তার মুল্য দেইনি ফোন off করে রেখে দেই… গত ২৬ তারিখ রাতে তার আব্বু একটা রোড এক্সিডেন্ট এ মারা যায়, আমি পাশে থাকতে পারিনি তার... আমার ঢাকায় ও তার পর...