Skip to main content

আকিবের বিয়ে অথবা রংধনুর পাঁচ রঙ

আকিবের বিয়েটায় মজা হয়েছিলো জম্পেশ। তুহিনের তো মদ্যপ হয়ে ,প্লেন কিভাবে ওড়ে আজও সে কথা নিয়ে আমরা হাসাহাসি করি।আকিব আমার চাচাতো ভাই, একই বয়সী, ১ বছর হল বিয়ে করলো।
আকিবের বিয়ের কিছু মজার কাহিনিঃ
১। কমিউনিটি সেন্টারে বিয়ে, নামকরা সেন্টার, কিন্তু কোন এক অজ্ঞাত কারনে কমিউনিটি সেন্টারে সে দিন বিদ্যুৎ সরাবরাহের কোন ব্যবস্থা করা যায়নি , জটিল বিদ্যুৎ বিপর্যয়ের কারনে।
অবশেষে বিয়ে আর খাওয়া দুটোই হলো মোবাইলের আলোতে

২। কাজী সাহেব বিয়ে পড়ানোর সময় পাত্রের বাবার নামের জায়গায়, বারবার বলছেন ছাত্রের বাবা
৩।ওই বিয়েতেই আমি টগর কে দেখেছিলাম প্রথম, পাত্রির মামাতো বোন, লোক মারফত জানলাম, না টগর, মেডিকেলের স্টুডেন্ট, খুব দেমাগি, ইত্যাদি ইত্যাদি।
কিন্তু আমার কাছে টগর কে মনে হচ্ছিলো, একটা সত্যিকারে টগর।। জানেন ওর খুব মায়া। প্রেম করতে অনেক কষ্ট হয়েছিলো, আমাকে ভালবেসে চলেছে অনেক।
৪।ওই বিয়েতে পাত্রির বাবা মাইল্ড স্ট্রোক করলো দুই বার, মেয়ের বিয়ের দুঃখের জন্য না! গরমে
৫। টগর আর আমি এখন একসাথে থাকছি, মানে ৪ মাস আগে আমাদের বিয়ে হয়েছে।ও এখন কি করছে জানেন? আমার হুইল চেয়ারটা ঝাড়পোছ করছে,তিন বছর এটা আমার সঙ্গি।আমি বিছানায় উবু হয়ে আপনাদের কথা শোনাচ্ছি।আর ও একটু পর পর পাশের রুম থেকে চিৎকার করে বলছে, রিয়াদ তুমি এতো অগোছালো কেন! এতো নোংরা কেন!
সুখের প্রহর চলছে,
ভালোবাসা বলছে-
আর বলতে হয়, এ কেমন কান্না তুমি
আমায় যখন আদর করো.................................

Comments

Popular posts from this blog

চরম একটা ভালবাসার গল্প

পড়লে ঠকবেন না, কথা দিচ্ছি অন্যরকম ভালবাসা মিজান দশম শ্রেণীর ছাত্র । শহরের একটা স্কুলে লেখাপড়া করে সে। শুধুমাত্র ওর পড়াশুনার জন্যই পুরো পরিবারের, গ্রাম থেকে এসে এইশহরে থাকা । বাবা চাকরির জন্য এখানে থাকতেপারেন না, সপ্তাহে দু'একদিন আসেন । তাই মা'কেই সামলাতে হয় সংসারের পুরো দায়িত্ব। মধ্যবিত্ত পরিবার, তাই সারা বছর টানা পোড়েন লেগেই থাকে । লেখাপড়া, বাড়ীভাড়া, বাজার-খরচ চালাতে মুটামুটি হিমসিম থেতে হয় তাকে, তার উপর আবার চিরসঙ্গী কোমরের ব্যাথা! শত কষ্টের মাঝেও তিনি নিজের কথা ভুলে ছেলের সকল চাহিদা পূরন করেন। ~ ~ ~ ~ ~ ~ ~ ~ ~ ~ কিছুদিন পর ১৪ই ফেব্রুয়ারী। বন্ধুমহলে আনাগোনা শুরু হয়ে গেছে,"কে কার প্রিয়জনকে কি gift দেবে?"এই নিয়ে । মিজানের অবশ্য তেমন বিশেষ কেউনেই। কিন্তু সেও gift কেনার জন্য টাকা জমাতে থাকে। সে ঠিক করে, এবার'ভালবাসা দিবসে' মাকে একটা কিছু দিবে । মার্কেটে অনেক ঘুরাঘুরির পর খুবসুন্দর একটা শাড়ী পছন্দ করে মায়ের জন্য । কিন্তু বিপত্তিটা হল দাম নিয়ে! শাড়ীটার দাম লেখা ৭০০/- টাকা.! (একদর)। কিন্তু ওতো এই ক'দিনে টিফিনের টাকা বাঁচিয...

আধুনিক ভালোবাসার গল্প

একটি কঠিন ভালুবাসার কাহিনি... রাজু আর মর্জিনা ফেসবুকে প্রায় প্রতিদিন চ্যাট করত!রাজু আস্তে আস্তে মর্জিনার প্রতি দুর্বল হতে থাকল!এবং একদিন এই কথাটা মর্জিনাকে বলে দিল!কিন্তু মর্জিনা 'না' করে দিল এবং রাজুর সাথে চ্যাটিং বন্ধ করে দিল! রাজু ভাই দুঃখে ঘাস খাইতে লাগিল!!! (যারা প্রেম করিতে চায়,তারা ঘরু-ঘাস ই খায়)! তার কিছুদিন পর মর্জিনা রাজুকে খুব মিস করিতে লাগিল!... এবং বুঝে গেছে যে সে রাজুর প্রেমে নাকানি- চুবানি খাইতেছে! কিন্তু লজ্জায় মর্জিনাপু কথাটি না বলতে পেরে রাজু সাবকে এক্ষান পিকচার ট্যাগ করিয়ছেনঃ 'আমিও তোমাকে আমার কৈলজা দিয়া দরদ করি' এইরাম টাইপের! বালুবাসা উতলাই পরতেছে!! আর এদিকে রাজু ভাই দুঃখে বিড়ি,সিগেরেট,মদ ,গাজা,বিয়ার,হুইস্কি খাইয়া,সব ট্যাকা- টুকা ফুরাইয়া '০.ফেসবুক.কম' চালাইতেছে! যার কারনে সে মর্জিনাপুর ট্যাগ করুইন্না পিকটা দেখতে পারে নাই!!! (হায় হায়রে )! আর এদিকে মর্জিনা অপেক্ষা করতে করতে দিন,মাস পার করে দিতেছে!তিনার অপেক্ষা রাগে পরিনিত হৈয়া গেছে,তাই তিনি কাইটা পরছেন! কাহিনিটা শেষ হয়নাই,আরেকটু আছেঃ একদিন রাজু ভাইয়ের আইডিটা জুক...

শূন্যতা

""""একটা মেয়েকে অনেক ভালবাসি... ৪ বছরের বেশি সময় ধরে আমাদের রিলেশন ছিল। ও আমাকে অনেক ভালবাসত,আমিও তাকে অনেক ভালবাসি. আমার রাগ ছিল অনেক, ও আমার রাগ টা কে অনেক বেশি ভয় পেত, সবকিছুই করতে পারত আমার জন্য... ৪ টি বছর শত ঝামেলার, অনেক বাঁধার মধ্যেও রিলেশন টা টিকে থাকে আমাদের, মাসে একবার অনেক কষ্টে ওর সাথে দেখা করার সুযোক হত, কখনো হত না, ওর সাথে আমার ফোন এ কথা হতো না কখনো...প্রতিদিন sms এ রাতে কথা হত। কিছুদিন হল তার সাথে আমার সাথে সব কিছুঁই শেষ হয়ে গেছে... কিভাবে.........? আজ থেকে ২৫ দিন আমাদের ঝগড়া হয়,এই রকম আগেও অনেকবার হয়েছে। সেদিন এর পর থেকে আর কোন কথা হয়নি আমাদের... মাঝখানে ৭ দিন পর সে কষ্টে আছে শুনে একদিন তাকে আমি ম্যাসেজ করি সে আমাকে উল্টাপাল্টা বলায় আমি আবার রেগে যাই. সে তার সব বান্ধবীদের বলে আমি নাকি তার সাথে ব্রেকআপ করেছি... আমার রাগ এর কারণে আবার ও সেদিন তাকে আমি কথা শুনিয়েছিলাম ও আমাকে Sorry বলে কিন্তু তার মুল্য দেইনি ফোন off করে রেখে দেই… গত ২৬ তারিখ রাতে তার আব্বু একটা রোড এক্সিডেন্ট এ মারা যায়, আমি পাশে থাকতে পারিনি তার... আমার ঢাকায় ও তার পর...