Skip to main content

চিরদিন প্রতিদিন


প্রতিদিনের মতই সকাল সকাল তারাহুরো করছে শুভ্র।
গোসল টা শেষ করেই, এই নীলা,নীলা
রান্না ঘর থেকে,  আসছি
এই এই
আরে বাবা বুঝেছি, যাও দেখ তোমার টেবিলের পাশে মানিব্যাগ আর রুমাল রেখে দিয়েছি।
আর টাই.. বলতে বলতে টাই নিয়ে গলায় পরিয়ে দিচ্ছে নীলা।
শুভ্র হাসতে হাসতে এক পলকে দেখছে নীলাকে।
"নীলা আজ তোমাকে অনেক সুন্দর লাগছে"
মুচকি হেসে "প্রতিদিনি তো বলো,কোন দিন লাগে না?"
শুভ্র নীলাকে জড়িয়ে ধরে " লক্ষি বউ আমার।"
হয়েছে হয়েছে এস খাবে, এখনো তোমাকে খাইয়ে দিতে হয়,আমি না থাকলে কি করবে?
আমিও যাব তোমার সাথে। :)
হ্যা হ্যা, দেখা যাবে।
কপালে আলতো করে কিস করে বেরিয়ে গেল শুভ্র।নিচে নেমে বার বার ঘুরে ঘুরে দেখছে বারান্দায় নীলা দাড়িয়ে হাত নাড়ছে......কি মিষ্টিমুখ, দেখলেই সব কষ্ট ভুলে যায় শুভ্র।
দুপুর ১২ টা,
হটাৎ ফোন নীলার," মা অনেক অসুস্থ,যেতে হবে, কদিন থাকতে বলেছে......
না করতে পারল না শুভ্র, আচ্ছা যাও,দেখে শুনে যেও আমি গাড়ি পাঠাচ্ছি।
আচ্ছা, আর খেয়ে নাও তাড়াতাড়ি।
হুম।
ব্যাস মনের মাঝে ঝড় চলছে, ২ বছর বিয়ে, একদিন ও নীলাকে ছাড়া থাকেনি শুভ্র,আজ কিভাবে?
মাঝে অনেক বার কথাও হলো। সব ঠিকি তো আছে, থাকতে কেন হবে,আবার আমাকেও যেতে বলল না, মনে মনে বলছে শুভ্র, ধুর আর কাজেই মন বসলো না।
রাত ১১ টা,
টিং টং,দরজা খুলে নীলা হতবাক,সাদা পায়জামা,সাদা পাঞ্জাবি আর হাতে বিশাল লাগেজ নিয়ে শুভ্র হাজির।
তু তুমি এত রাতে,তুমি না ঘুমিয়ে গেলে,
শশুর বাড়ি, মধুর হাড়ি বলে হন হন করে ব্যাগ রেখে মা,বাবার সাথে দেখা করে এল।
বাবা মাও বেশ খুশি।
নীলা এখনো বোকার মত দাড়িয়ে আছে,আর মুখের কোন ছোট্ট হাসি।
মা,আমড়া একটু আসছি...
নীলা খেয়েছো, " না বসবো,"
জানতাম,বলে হাত ধরে টেনে নিয়ে চলেছে শুভ্র,।
কই যাচ্ছ,আর তুমি খাওনি? নীলা একটু রেগে গিয়েই বলছে।
সব বলছি, গাড়ি স্টার্ট করা। চল।
নীলা কিছু বলতে পারল না।
মিনিট ৭ পর গাড়ি এক চাইনিজ এর সামনে, পরিচিত জায়গা,ওরা প্রায়ই এখানে আসে।
খাবার সব রেডি কিভাবে? নীলা বলতেই
শুভ্র মাথা নিচু করে," ম্যানেজার বেটাকে ফোন করে তোমার পছন্দের খাবার গুলো রেডি করে রাখতে বলে ছিলাম।

নীলা কিছুক্ষন শুভ্রর দিকে তাকিয়ে, এত ভালবাস কেন?
শুভ্র: তুমি যে আমার নীলা তাই..... and I love u soooo much.
নীলা হেসে দিল। সেই হাসি,যা শুভ্রর সব থেক প্রিয়।
"এভাবে চলে এলে কেন "
শুভ্র হাসতে হাসতে বলছে, তুমি যাই বল আর কর তোমাকে ছাড়া আমি একদিন ও থাকতে পারবো না, কখোনো না...............

Comments

Popular posts from this blog

চরম একটা ভালবাসার গল্প

পড়লে ঠকবেন না, কথা দিচ্ছি অন্যরকম ভালবাসা মিজান দশম শ্রেণীর ছাত্র । শহরের একটা স্কুলে লেখাপড়া করে সে। শুধুমাত্র ওর পড়াশুনার জন্যই পুরো পরিবারের, গ্রাম থেকে এসে এইশহরে থাকা । বাবা চাকরির জন্য এখানে থাকতেপারেন না, সপ্তাহে দু'একদিন আসেন । তাই মা'কেই সামলাতে হয় সংসারের পুরো দায়িত্ব। মধ্যবিত্ত পরিবার, তাই সারা বছর টানা পোড়েন লেগেই থাকে । লেখাপড়া, বাড়ীভাড়া, বাজার-খরচ চালাতে মুটামুটি হিমসিম থেতে হয় তাকে, তার উপর আবার চিরসঙ্গী কোমরের ব্যাথা! শত কষ্টের মাঝেও তিনি নিজের কথা ভুলে ছেলের সকল চাহিদা পূরন করেন। ~ ~ ~ ~ ~ ~ ~ ~ ~ ~ কিছুদিন পর ১৪ই ফেব্রুয়ারী। বন্ধুমহলে আনাগোনা শুরু হয়ে গেছে,"কে কার প্রিয়জনকে কি gift দেবে?"এই নিয়ে । মিজানের অবশ্য তেমন বিশেষ কেউনেই। কিন্তু সেও gift কেনার জন্য টাকা জমাতে থাকে। সে ঠিক করে, এবার'ভালবাসা দিবসে' মাকে একটা কিছু দিবে । মার্কেটে অনেক ঘুরাঘুরির পর খুবসুন্দর একটা শাড়ী পছন্দ করে মায়ের জন্য । কিন্তু বিপত্তিটা হল দাম নিয়ে! শাড়ীটার দাম লেখা ৭০০/- টাকা.! (একদর)। কিন্তু ওতো এই ক'দিনে টিফিনের টাকা বাঁচিয...

আধুনিক ভালোবাসার গল্প

একটি কঠিন ভালুবাসার কাহিনি... রাজু আর মর্জিনা ফেসবুকে প্রায় প্রতিদিন চ্যাট করত!রাজু আস্তে আস্তে মর্জিনার প্রতি দুর্বল হতে থাকল!এবং একদিন এই কথাটা মর্জিনাকে বলে দিল!কিন্তু মর্জিনা 'না' করে দিল এবং রাজুর সাথে চ্যাটিং বন্ধ করে দিল! রাজু ভাই দুঃখে ঘাস খাইতে লাগিল!!! (যারা প্রেম করিতে চায়,তারা ঘরু-ঘাস ই খায়)! তার কিছুদিন পর মর্জিনা রাজুকে খুব মিস করিতে লাগিল!... এবং বুঝে গেছে যে সে রাজুর প্রেমে নাকানি- চুবানি খাইতেছে! কিন্তু লজ্জায় মর্জিনাপু কথাটি না বলতে পেরে রাজু সাবকে এক্ষান পিকচার ট্যাগ করিয়ছেনঃ 'আমিও তোমাকে আমার কৈলজা দিয়া দরদ করি' এইরাম টাইপের! বালুবাসা উতলাই পরতেছে!! আর এদিকে রাজু ভাই দুঃখে বিড়ি,সিগেরেট,মদ ,গাজা,বিয়ার,হুইস্কি খাইয়া,সব ট্যাকা- টুকা ফুরাইয়া '০.ফেসবুক.কম' চালাইতেছে! যার কারনে সে মর্জিনাপুর ট্যাগ করুইন্না পিকটা দেখতে পারে নাই!!! (হায় হায়রে )! আর এদিকে মর্জিনা অপেক্ষা করতে করতে দিন,মাস পার করে দিতেছে!তিনার অপেক্ষা রাগে পরিনিত হৈয়া গেছে,তাই তিনি কাইটা পরছেন! কাহিনিটা শেষ হয়নাই,আরেকটু আছেঃ একদিন রাজু ভাইয়ের আইডিটা জুক...

শূন্যতা

""""একটা মেয়েকে অনেক ভালবাসি... ৪ বছরের বেশি সময় ধরে আমাদের রিলেশন ছিল। ও আমাকে অনেক ভালবাসত,আমিও তাকে অনেক ভালবাসি. আমার রাগ ছিল অনেক, ও আমার রাগ টা কে অনেক বেশি ভয় পেত, সবকিছুই করতে পারত আমার জন্য... ৪ টি বছর শত ঝামেলার, অনেক বাঁধার মধ্যেও রিলেশন টা টিকে থাকে আমাদের, মাসে একবার অনেক কষ্টে ওর সাথে দেখা করার সুযোক হত, কখনো হত না, ওর সাথে আমার ফোন এ কথা হতো না কখনো...প্রতিদিন sms এ রাতে কথা হত। কিছুদিন হল তার সাথে আমার সাথে সব কিছুঁই শেষ হয়ে গেছে... কিভাবে.........? আজ থেকে ২৫ দিন আমাদের ঝগড়া হয়,এই রকম আগেও অনেকবার হয়েছে। সেদিন এর পর থেকে আর কোন কথা হয়নি আমাদের... মাঝখানে ৭ দিন পর সে কষ্টে আছে শুনে একদিন তাকে আমি ম্যাসেজ করি সে আমাকে উল্টাপাল্টা বলায় আমি আবার রেগে যাই. সে তার সব বান্ধবীদের বলে আমি নাকি তার সাথে ব্রেকআপ করেছি... আমার রাগ এর কারণে আবার ও সেদিন তাকে আমি কথা শুনিয়েছিলাম ও আমাকে Sorry বলে কিন্তু তার মুল্য দেইনি ফোন off করে রেখে দেই… গত ২৬ তারিখ রাতে তার আব্বু একটা রোড এক্সিডেন্ট এ মারা যায়, আমি পাশে থাকতে পারিনি তার... আমার ঢাকায় ও তার পর...